|
 |
 |
 |
 |
 |
 |
|
|
|
‘চুল তার কবেকার
অন্ধকার বিদিশার দিশা’-এ শুধু কবির উক্তি নয়, চুলের
অরণ্যে মন হারিয়েছে এমন নজির কম নেই। তবে অবশ্যই সে চুলকে
হতে হবে পরিষ্কার, ঝলমলে সুন্দর চুল। চুলের স্টাইলিংয়ের
ব্যাপারে প্রথমেই বলতে হবে ড্রাই এবং আয়রনিংয়ের কথা।
ব্লো ড্রাই হচ্ছে ড্রায়ার এবং বিশেষ ধরনের রোলার ব্রাশ
দিয়ে চুল সোজা করা। ব্লো ড্রাই করার পর চুল সোজা ঝরঝরে
হয়।
শাড়ি, সালোয়ার-কামিজ, ওয়েস্টার্ন, লেহেঙ্গা সব
পোশাকের সঙ্গে এ স্টাইল মানানসই। ব্লো ড্রাইয়ের আরও
পরিশীলিত রূপ হচ্ছে আয়রনিং। এক্ষেত্রে চুলকে বিশেষ ধরনের
আয়রন দিয়ে টেনে টেনে পরিপাটি করে তোলা হয়। আয়রন করলে চুল
ঝলমলে মসৃণ হয়, শাইন করে।
ব্লো-এর মতো আয়রনিংও সব ধরনের
পোশাকের সঙ্গে মানানসই। তবে টিনএজদের আয়রন করলে ভালো লাগে
বেশি। আয়রন বা ব্লো ড্রাইয়ের সেটিং কখনো ভেতরের দিকে
আবার কখনো বাইরের দিকেও করা যায়। পুরো ব্যাপারটা নির্ভর
করে চেহারা, বয়স এবং ব্যক্তিত্বের ওপর। |
 |
 |
স্পাইরালে চুলের মধ্যে রোলার দিয়ে আটকিয়ে স্প্রে করে ঘন্টা খানেক রেখে
দিতে হয়। পরে আস্তে আস্তে স্পাইরাল রোলার খুলে নিলেই চুল স্পাইরাল হয়ে
যায়। স্পাইরাল দিয়ে অনেক ধরনের স্টাইল করা হয়।
যেমন পুরো চুলে স্পইরাল
করে খোলা ছেড়ে রাখা যায়। হাফ চুলে স্পাইরাল করে খোলা রাখা যায়। কিপ দিয়ে
আটকিয়ে হাফ খোঁপা করা যায়, এক পাশে দুটো ফুল লাগিয়েও বিশেষ ধরনের
স্টাইল করা যায। স্পাইরাল চুল জর্জেট, সিনথেটিক শাড়ি, ওয়েস্টার্ন
ড্রেসের সঙ্গে যায় বেশি।
ধাপে ধাপে কাটা সিঁড়ির মতো চুলকে প্রথমে
ব্লো-ড্রাই করে ছোট রোলার ব্রাশ দিয়ে সেটিং করাকে স্টেপ সেটিং বলে।
স্টেপ সেটিং একমাত্র স্টেপ কাটা চুল দিয়েই ভালো হয়। হালকা স্প্রে করে
নিলে সারাদিন রাখা যায়।
চুল আটকিয়ে নানা ধরনের খোঁপা করা যায়। এর মধ্যে
র্যাফেল লুক, ফ্রেঞ্চ বান, সিম্পল হেয়ার বান, ৬০ এর দশকের খোঁপা, রিং
খোঁপা ইত্যাদি বেশি জনপ্রিয়। এ খোঁপাগুলো বয়স, পোশাক অনুষ্ঠানের
মেজাজের ওপর নির্ভর করে বাঁধা হয়। |
অল্প চুল অথচ
আপনি চান চুলের ঢেউ বয়ে যাক আপনার পিঠ জুড়ে। এক্ষেত্রে বেণী পার্ম
যথার্থ। চুল বিভিন্ন ভাগে বিভক্ত করে, ছোট ছোট বেণী করতে হবে।
এরপর
বিশেষ ধরনের পার্ম লোশন লাগিযে চুলকে কিরি কিরি করে তোলাকে বেণী
পার্ম বলে। বেণী পার্ম একবার করলে তা এক বছর পর্যন্ত অত থাকে। এ
পরিক্রমায় চুল নরম ও মোলায়েম হয়।
টিপস
১। হেয়ার স্টাইলিংয়ের সঙ্গে ব্যক্তিত্ব ওতপ্রোতভাবে জড়িত।
২। নিয়মিত স্প্রে, ল্যাকার, জেল, ম্যুজ ব্যবহার করা অনুচিত।
৩। প্রতি সপ্তাহে হেয়ার ট্রিটমেন্ট করা উচিত।
৪। লম্বা চুলের চেয়ে ছোট চুলে হেয়ার স্টাইলিং করা যায় বেশি।
৫। চুল কাটার আগে অবশ্যই হেয়ার এক্সপার্টের সঙ্গে কথা বলবেন।
৬। ব্লো বা আয়রন করার আগে চুল অবশ্যই শ্যাম্পু করে নেবেন।
৭। চুল পাতলা হলে আয়রনিংয়ের পরিবর্তে ব্লো করা ভালো। |
 |
|
|
|
|
|
|
 |
 |
 |
|
|