Bangladeshinfo.com : The Leading Portal of Bangladesh

:: Service Info :: E-Jooti :: Buy & Sell :: E-Greetings :: Deshmail 

 

 
 > Home > Travel

বাংলাদেশের সাগর সৈকতে

ছোট্ট এই দেশে কত নদী-সাগর। এ দেশের মতো বৈচিত্র্যময় সমুদ্র সারা পৃথিবীতে কমই আছে। দেশের পূর্ব দক্ষিণের বিশাল জায়গা জুড়ে রয়েছে বেশ কটি সমুদ্র সৈকত। এদের প্রতিটি সমুদ্র সৈকতই একেকটি থেকে একেবারেই আলাদা। বাংলাদেশের সমুদ্র সৈকতে বেড়ানোর খোঁজখবর নিয়ে এই প্রতিবেদন।

কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত

প্রকৃতির উজার করা নানা সৌন্দর্যের পসরা নিয়ে বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব উপকূলে রচনা করেছে দীর্ঘ এক সমুদ্র সৈকত কক্সবাজার। বাংলাদেশের পর্যটন রাজধানী বলা হয় সৈকত-বিধৌত এই জেলা শহরকে। সড়কপথে ঢাকা থেকে প্রায় সাড়ে চারশ কিলোমিটার এবং চট্টগ্রাম থেকে প্রায় দেড়শ কিলোমিটার দূরে রয়েছে নয়নাভিরাম এ সমুদ্র সৈকত। প্রতিবছর এই সময়ে অর্থাৎ পর্যটন মৌসুমে এখানে থাকে দেশি পর্যটকদের উপচে পড়া ভীড়।

বিদেশি পর্যটকও নেহাৎ কম আসেন না এখানে। এখানে বেড়ানোর মধ্যে পর্যটকরা খুঁজে পান নানা বৈচিত্র্য। রূপালি বালুর দীর্ঘ সৈকতে হাঁটা, হাঁটতে হাঁটতে কান্ত দেহটাকে কখনো বা সমুদ্রের জলে ভিজিয়ে নেওয়া, সূর্যাস্তের মনোহারা দৃশ্য আরও কতকি। শুধু সমুদ্র সৈকতই নয়।

কক্সবাজার শহরেও রয়েছে বেড়ানোর মতো কয়েকটি উল্লেখযোগ্য জায়গা। শহরের জাদির পাহাড়ের বৌদ্ধ মন্দির,বার্মিজ মার্কেট, হিলটপ রেস্টহাউস ইত্যাদি এ ভ্রমণে যোগ করবে ভিন্নমাত্রা। তিন চার দিনের সময় হাতে নিয়ে বেড়িয়ে পড়ুন কক্সবাজারের উদ্দেশ্যে। নিজের মতো করে একটি ভ্রমণ শিডিউল তৈরি করে বেড়াতে থাকুন।

কিভাবে যাবেন
ঢাকা থেকে সরাসরি কক্সবাজার যাওয়ার জন্য আছে সড়কপথ ও আকাশপথ। সড়কপথে সর্বাধুনিক বাস এখন সরাসরি যাতায়াত করে এ পথে। গ্রিন লাইন, সোহাগ পরিবহন, সিল্ক লাইন ও নেপচুন পরিবহনের ভলবো এসি বাস যায় কক্সবাজারে। ভাড়া ৬৩০ টাকা।

ঢাকা থেকে এখন কক্সবাজার যাওয়ার জন্য আছে গ্রিন লাইন পরিবহনের সর্বাধুনিক বাস স্কেনিয়া। সড়কপথে আরামদায়ক একটি ভ্রমণ করতে চাইলে অবশ্যই এ পরিবহনটি বেছে নিতে হবে আপনাকে।

এছাড়া যারা একটু টাকা বাঁচিয়ে ভ্রমণ করতে চান তাদের জন্য আছে সৌদিয়া, এস আলম, চ্যালেঞ্জার, ইউনিক পরিবহনের বিলাসবহুল নন এসি বাস। ভাড়া ৩৯০ টাকা। এছাড়া ট্রেনে চট্টগ্রামে এসেও সেখান থেকে কক্সবাজার আসতে পারেন।

ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম আসার জন্য আছে সুবর্ণ এক্সপ্রেস, মহানগর এক্সপ্রেস, মহানগর প্রভাতী, তুর্ণা নিশীথা প্রভৃতি। চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজারে আসার সবচেয়ে ভালো পরিবহন হলো সৌদিয়া, এস আলম, শাহ আমিন ও বোরাক পরিবহনের বাস। ঢাকা ও চট্টগ্রাম থেকে সরাসরি কক্সবাজার যায় বাংলাদেশ বিমান ও জিএমজি এয়ারলাইন্স।

কোথায় থাকবেন?
কক্সবাজারে থাকার জন্য এমন অনেক আধুনিক হোটলে মোটেল রয়েছে। পাঁচ তারা থেকে শুরু করে সাধারণ মানের অনেক হোটেল রয়েছে এখানে। এসব হোটেলে ১০০০-৫০০০ টাকায় রয়েছে থাকার ব্যবস্থা। কক্সবাজারে বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের রয়েছে হোটেল শৈবাল, ফোন-৬৩২৭৪। মোটেল উপল, ফোন-৬৪২৫৮। মোটেল প্রবাল, ফোন-৬৩২১১। মোটেল লাবনী, ফোন-৬৪৭০৩।

পপর্যটন করপোরেশনের ঢাকাস্থ হেড অফিস থেকেও এসব হোটেলের বুকিং দেওয়া যায়। যোগাযোগ : ২৩৩ এয়ারপোর্ট রোড, তেজগাঁও, ঢাকা। ফোন-৯১৪০৭৯০, ৯১২০৩৯২।

এছাড়া অন্যান্য হোটেল হলো হোটেল সি-গাল, (পাঁচ তারা), ফোন-৬২৪৮০-৯১, ঢাকা অফিস ৮৩২২৯৭৩-৬। হোটেল সায়মন, ফোন-৬৩২৩৫, ঢাকা অফিস ৮৬১৪৫৬৫। গ্রিন অবকাশ রিজর্ট, ফোন-৬৪৭৪৪-৫, ঢাকা অফিস ৯৩৫৯২৩০, ০১৫২৪২০৬০২।

হোটেল সি কুইন, ফোন-৬৩৭৮৯, ৬৩৮৭৮। হোটেল সাগর গাঁও লি. ফোন-৬৩৪৪৫, ৬৩৪২৮। সুগন্ধা গেস্ট হাউস, ফোন-৬২৪৬৬। জিয়া গেস্ট ইন, ফোন-৬৩৯২৫। হোটেল সি হার্ট, ফোন-৬২২৯৮। হোটেল ডায়মন্ড পেসএন্ড গেস্ট হাউস, ফোন-৬৩৬৪২। গেস্ট কেয়ার লি, ফোন-৬৩৯৩০। হোটেল প্যানওয়া লি, ফোন-৬৪৪৩০। কক্সবাজারের এনডবি-উডিকোড ০৩৪১।

কক্সবাজারে এই সময় পর্যটকের ভীড় থাকে। তাই সেখানে ভ্রমণে গেলে আগে থেকেই হোটেল নিশ্চিত করে যাওয়া উচিত। কক্সবাজারে যেকোনো মানের হোটেল বুকিংয়ের জন্য যোগাযোগ করতে পারেন এই নম্বরে-৮৮২৬৭৫৯, ০১৯১-৪৯৮৬৬৬০।

হিমছড়ি সমুদ্র সৈকত
কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত থেকে মাত্র ১২ কিলোমিটার দূরেই রয়েছে আরেক আকর্ষণীয় সমুদ্র সৈকত। পাহাড়ের কোল ঘেঁষা এ সমুদ্র সৈকতের নাম হিমছড়ি। এখানকার সমুদ্র সৈকতটি কক্সবাজারের চেয়ে অপোকৃত নির্জন। এর সৌন্দর্যও কোনো অংশে কম নয়। কক্সবাজার থেকে এ সৈকতে যাওয়ার পথটিও বেশ আকর্ষণীয়।

কসৈকত লাগোয়া আকাশছোঁয়া পাহাড় এখানের অন্যতম আকর্ষণ। এ পাহাড়ে উঠলে চোখের সামনে ভাসবে নীল দিগন্তে হারিয়ে যাওয়া বিশাল সমুদ্র। হিমছড়ির পাহাড়ের হিম শীতল ঝরনাগুলো যদিও এই শীতে কিছুটা স্মিমিত হয়ে পড়ে তারপরেও এই পাহাড়ি ঝরনাগুলো বেশ আকর্ষণীয়।
কিভাবে যাবেন

কক্সবাজার সৈকত থেকে সবসময়ই খোলা জিপ ছাড়ে হিমছড়ির উদ্দেশ্যে। জনপ্রতি ভাড়া ৫০-৭০ টাকা। আর রিজার্ভ নিলে লাগবে ১ হাজার ২০০-১ হাজার ৫০০ টাকা। এছাড়া রিকশা করেও যাওয়া যায় হিমছড়িতে। যাওয়া আসার ভাড়া লাগবে ১৫০-২৫০ টাকা।

ইনানী সমুদ্র সৈকত

কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত থেকে প্রায় বিশ কিলোমিটার দূরে রয়েছে আরেক আকর্ষণীয় সমুদ্র সৈকত। হিমছড়ি ছাড়িয়ে এই সৈকতের নাম ইনানী। এখানে রয়েছে বিস্তীর্ণ পাথুরে সৈকত। সমুদ্র থেকে ভেসে এসে এখানকার ভেলাভূমিতে জমা হয়েছে প্রচুর প্রবাল পাথর।

এ সমুদ্র সৈকতটির সঙ্গে মিল খুঁজে পাওয়া যায় সেন্টমার্টিন সমুদ্র সৈকতের। ইনানী সৈকতে দাঁড়িয়ে যে কেউ ভুল ভেবে বসতে পারে সেন্টমার্টিন ভেবে। তবে ইনানী যেতে হবে অবশ্যই জোয়ার-ভাটার হিসেব করে। কেননা জোয়ারের সময় গেলে সৈকতের এসব প্রবাল পাথর দেখা যাবে না। তাই যেতে হবে কিন্তু ভাটার সময়।

কিভাবে যাবেন
ইনানী এবং হিমছড়ি কিন্তু একই ভ্রমণে ঘুরে আসা যায়। সময় আর খরচ তাতে বেঁচে যাবে অনেক। সকালে গিয়ে বিকেলের মধ্যেই বেড়িয়ে আসা যাবে দুটি জায়গা থেকে। কক্সবাজার কলাতলী সৈকত লোকাল জিপে গেলে যাওয়া-আসার ভাড়া লাগবে ১৮০-২০০ টাকা। আর রিজার্ভ জিপ নিলে লাগবে ১ হাজার ৮০০-২ হাজার ৫০০ টাকা। একটি জিপে ১০-১৫ জন অনায়াসেই ঘুরে আসা যায়।

মহেশখালী দ্বীপ

বঙ্গোপসাগরের এককোলে ছোট্ট একটি পাহাড়ি দ্বীপ মহেশখালী। এটি বাংলাদেশের একমাত্র পাহাড়ি দ্বীপ। এ জায়গাটি মূলত বিখ্যাত এখানকার আদিনাথ মন্দিরের জন্য। আঁকাবাঁকা সিঁড়ি ভেঙে আদিনাথ পাহাড়ের চূড়ায় উঠলেই পাওয়া যাবে বিখ্যাত আদিনাথ মন্দির।

এ দ্বীপের দক্ষিণে রয়েছে বিস্তীর্ণ সাগর আর পশ্চিমে বিশাল পাহাড়। এছাড়া এখানে আছে খুবই সুন্দর একটি বৌদ্ধ মন্দির। জেলেদের বিচিত্র জীবনাচরণও উপভোগ করা যাবে এখানে। মহেশখালীতে থাকার তেমন ভালো কোনো ব্যবস্থা নেই।

তবে সেখানে না থাকলেও চলবে। কেননা কক্সবাজার থেকে সকালে গিয়ে এ দ্বীপটি ভালো করে দেখে আবার বিকালের মধ্যেই ফেরা সম্ভব। সমুদ্রের ঢেউ ভেঙে এ দ্বীপে যেতে রোমাঞ্চকর অনুভূতি জাগবে মনে।

কিভাবে যাবেন
কক্সবাজার ট্রলার ঘাট থেকে মহেশখালী যেতে পারেন স্পিড বোট অথবা ইঞ্জিন বোটে। স্পিড বোডে লাগবে ১৫ মিনিট আর ইঞ্জিন বোটে প্রায় ১ ঘন্টা। ভাড়া যথাক্রমে ১০০ ও ৩০ টাকা।

কুতুবদিয়া

কুতুব আওউলিয়ার নামে কক্সবাজার জেলার একটি দ্বীপ থানা কুতুবদিয়া। এ দ্বীপটি পরিচিত প্রাচীন একটি বাতিঘরের জন্য। সমুদ্রগামী জাহাজের পথনির্দেশের জন্য ১৮২৮ সালে নির্মিত হয়েছিল এ বাতিঘর। তবে এখন এ বাতিঘরটি তার টিপ টিপ জ্বলা আলো দিয়ে সমুদ্রের জাহাজগুলোকে পথ না দেখালেও মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে কালের স্বাক্ষী হয়ে।

এছাড়া এ দ্বীপের অন্যান্য দর্শনীয় স্থান হলো কুতুব আওউলিয়ার মাজার, শাহ আব্দুর মালেক মহিউদ্দীনের (রা.) দরগা শরিফ, দ্বীপের তিন দিকে বিস্তীর্ণ সমুদ্র সৈকত। আমাদের দেশের অন্যান্য সমুদ্র সৈকতের সঙ্গে এখানকার সৈকতের একটা বড় ধরনের পার্থক্য খুঁজে পাওয়া যায়।

কিভাবে যাবেন
চট্টগ্রাম কিংবা কক্সবাজার তেকে এখানে আসা যায় বাস কিংবা ট্রলারে চড়ে। বাসে গেলে চকরিয়া এসে কুতুবদিয়া চ্যানেল পার হতে হবে ট্রলারে কিংবা স্পিড বোটে। চট্টগ্রাম শহরের সিনেমা প্যালেস থেকে চকরিয়া চ্যানেল যায় এস আলম সার্ভিস। ভাড়া জনপ্রতি ১১০ টাকা। সেখান থেকে চ্যানেলের ওপারেই কুতুবদিয়া। চ্যানেল পার হওয়ার জন্য আছে স্পিড বোট কিংবা ইঞ্জিন বোট।

কোথায় থাকবেন
কুতুবদিয়ায় থাকার জন্য সাধারণ মানের কয়েকটি হোটেল আছে। এসব হোটেলের রুম ভাড়া প্রতিদিনের জন্য ৫০-২০০ টাকা।

সোনাদিয়া দ্বীপ

কক্সবাজারের নিকট দূরত্বে আরেকটি আকর্ষণীয় দ্বীপ সোনাদিয়া। জেলেদের বিচিত্র জীবনধারা দেখতে হলে এ জায়গাটিতে যাওয়া উচিত। এখানকার সমুদ্র সৈকতে নির্জনতা যে কাউকে খুব কাছে টানবে।
 

কসোনাদিয়া বাজারের সর্বত্রই পাওয়া যাবে নানা রকম মাছের শুটকি। এ দ্বীপটির প্রাকৃতিক সৌন্দর্য অতুলনীয়। প্রায় ৪৬৩ বর্গ কিলোমিটারের এ দ্বীপে শীতকালে সমাগম ঘটে নানা রকম অতিথি পাখির।

কিভাবে যাবেন
কক্সবাজার কস্তুরিঘাট থেকে স্পিড বোটে এখানে যেতে সময় লাগে প্রায় পাঁচিশ মিনিট। আর ট্রলারে গেলে লাগবে প্রায় ঘন্টা দুয়েক।

কোথায় থাকবেন
এ দ্বীপে গিয়ে থাকার প্রয়োজন নেই। দিনে গিয়ে দিনেই ফিরে আসা যায়।

টেকনাফ

বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের ভূমি টেকনাফ। একদিকে নাফ নদী আরেক দিকে বঙ্গোপসাগর। এ জায়গাটি তাই একটু বেশিই বৈচিত্র্যময়। কক্সবাজার থেকে সড়কপতে এ জায়গাটির দূরত্ব প্রায় ৮৫ কিলোমিটার। এখানেই নাফ নদী বাংলাদেশ ও মিয়ানমারকে পৃথক করেছে। পাহাড়ের উপর তেকে নাফ নদীর অপরূপ সৌন্দর্য বিরল দৃশ্য।

টেকনাফের সমুদ্র সৈকতও খুবই সুন্দর। এটি একটি পরিচ্ছন্ন সৈকত। এছাড়া এখানে রয়েছে ঐতিহাসিক মাথিনের কূপ। মগ রাজকন্যা মাথিন আর বাঙালি পুলিশ কর্মকর্তা ধীরাজ ভট্টাচার্যের বিয়োগান্ত অমর প্রেমের কথা যেন অবিরাম বলে যায় এই মাথিনের কূপ।

কিভাবে যাবেন
কক্সবাজার থেকে বাস ও মাইক্রোবাসে টেকনাফ আসা যায়। বাসে এখানকার ভাড়া ৬০ টাকা। আর মাইক্রোবাসে ভাড়া ৮০ টাকা। কক্সবাজার থেকে টেকনাফের বাস ছাড়ে আন্তঃজেলা বাস টার্মিনাল থেকে আর মাইক্রোবাস ছাড়ে টেকনাফ বাইপাস মোড় থেকে।

কোথায় থাকবেন
টেকনাফে থাকার জন্য আছে সাধারণ মানের বেশ কয়েকটি হোটেল। এসব হোটেলে প্রতিদিনের জন্য রুম ভাড়া ৫০-৩৫০ টাকা। এছাড়া এখানে আছে বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের মোটেল নেটং। নেটংয়ে প্রতিদিনের রুম ভাড়া ৫০০-১ হাজার ২০০ টাকা।

শাহপরির দ্বীপ

টেকনাফ থানার একেবারে শেষপ্রান্তে রয়েছে একটি দ্বীপ। থানা শহর থেকে প্রায় দশ কিলোমিটার দূরত্বের এই দ্বীপের নাম শাহপরীর দ্বীপ। এ দ্বীপ থেকে প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিন খুবই কাছে। এখানে দাঁড়িয়ে খালি চোখে দেখা যায় সেন্টমার্টিন। পুরো দ্বীপ জুড়ে এখানে রয়েছে জেলেদের বসতি।

কিভাবে যাবেন
টেকনাফ থেকে শাহপরির দ্বীপে যেতে পারেন চাঁদের গাড়িতে চড়ে। ভাড়া লাগবে ২০-৪০ টাকা।

সেন্টমার্টিন দ্বীপ

টেকনাফ থানা শহর থেকে প্রায় ৩৫ কিলোমিটার সমুদ্র গর্ভে মনোরম দ্বীপ সেন্টমার্টিন। প্রায় ১৬ বর্গকিলোমিটার জুড়ে এ দ্বীপের মূল আকর্ষণ সৈকত জুড়ে প্রবাল পাথরের মেলা, সমুদ্র তীরে সারি সারি নারিকেল বৃক্ষ দিগন্তে হারিয়ে যাওয়া সমুদ্রের নীল জলরাশি আর এখানকার অধিবাসীদের বিচিত্র জীবন যাপন।

এখানের সমুদ্রে আছে বড় বড় সামুদ্রিক কচ্ছপ। ডিম পাড়তে রাতের বেলা এরা দ্বীপে আসে। প্রায় ১০ হাজার লোকের বসবাস এই দ্বীপে। সেন্টমার্টিনের পুরো জায়গাটিই আকর্ষণীয়। এর একেকটি জায়গার বৈচিত্র্য একেক রকম। সেন্টমার্টিন ঘাটে নেমে যতই সামনে এগুবেন ততই এর বৈচিত্র্য খুঁজে পাবেন।

পশ্চিম দ্বীপে গেলে এক রকম আবার পূর্ব দ্বীপটি আবার একেবারে অন্য রকম। একটু সামনের দিকে গেলে গলাচিপাটা আবার একেবারে অন্যরকম। মোটকথা পুরো দ্বীপটিই বৈচিত্র্যে ঠাসা। সেন্টমার্টিনের একেবারে শেষপ্রাপ্তে রয়েছে ছেড়াদ্বীপ।

এক সময় এ জায়গাটি মূল দ্বীত থেকে বিচ্ছিন্ন থাকলেও বর্তমানে মূল দ্বীপের সঙ্গে প্রায় মিলে গেছে। তবে এখনো জোয়ারের সময় এ দুই দ্বীপের সংযোগস্থলে সমুদ্রজল বিচ্ছেদ রচনা করে।

তাই ছেড়াদ্বীপে প্রবেশ করতে হবে ভাটির সময়ে। ছোট একটি কেয়াবন রয়েছে এখানে। বাকিটা শুধু প্রবাল আর প্রবাল। কোনো মানুষের বসবাস নেই ছোট্ট এই দ্বীপে। সেন্টমার্টিন থেকে ছেড়াদ্বীপ যাওয়ার জন্য ট্রলার রয়েছে। তবে দ্বীপের মূল সৌন্দর্য উপভোগ করতে হলে এখানে হেঁটে যাওয়াই ভালো।

পায়ে হেঁটে ছেড়াদ্বীপে যাওয়ার পথে দেখা যাবে কচ্ছপ প্রজনন কেন্দ্র। দ্বীপের পূর্ব সৈকত ধরে সকালবেলা হাঁটা শুরু করলে পুরো দ্বীপটি ধীর পায়ে ঘুরে আসা যাবে সন্ধ্যের মধ্যেই। এর মাঝে দুই তিন ঘন্টা স্মরণীয় সময়ও কাটিয়ে নেওয়া যাবে ছেড়াদ্বীপে। তবে এজন্য সঙ্গে অবশ্যই দুপুরের খাবার নিয়ে যেতে হবে। কেননা ছেড়াদ্বীপে তেমন কোনো খাবার কিনতে পাবেন না।

কিভাবে যাবেন
ঢাকা থেকে সরাসরি বাসে যাওয়া যায় টেকনাফ। এ পথে চলাচল করে সৌদিয়া পরিবহনের নন এসি বাস। ভাড়া জনপ্রতি ৪৩০ টাকা। ঢাকা থেকে রাত ৮.৩০ মিনিটে ছেড়ে টেকনাপে পৌঁছায় সকাল ৮টায়। এছাড়া ঢাকা থেকে সরাসরি কক্সবাজার গিয়েও সেখান থেকে টেকনাফ আসতে পারেন।

কক্সবাজার থেকে টেকনাফ যাওয়ার জন্য আছে বাস এবং মাইক্রোবাস। ভাড়া ৮০-১০০ টাকা। টেকনাফ যাওয়ার পথেই দমদমিয়া কেয়ারি ঘাটে কিংবা আরেকটু সামনে সিটিবির ঘাটে নেমে যেতে হবে। টেকনাফ থেকে সেন্টমার্টনে যাওয়ার জন্য আছে আধুনিক সামুদ্রিক জলযান কেয়ারি সিন্দবাদ, ঈগল-১, কুতুবদিয়া এবং সি ট্রাক এসটি খিজির।

জনপ্রতি ভাড়া ২০০-২৯০ টাকা। কক্সবাজার ভ্রমণের সঙ্গে দুই-একটা দিন বাড়তি যোগ করে একই ভ্রমণে ঘুরে আসতে পারেন সেন্টমার্টিন থেকে। তাতে খরচ অনেকাংশে কমে আসবে।

কোথায় থাকবেন
সেন্টমার্টিনে ভ্রমণে গেলে অবশ্যই আগে থেকে হোটেল নিশ্চিত করে যাওয়া ভালো। কেননা এখানে মাত্র কয়েকটি ভালো হোটেল আছে। এগুলো হলো সেন্টমার্টিন রিসোর্ট লিমিটেড, ঢাকা অফিস-১৬ নিউ ইস্কাটন, ফোন-৯৩৫৯২৩০, ০১৫৫২৪২০৬০২।

বুমেরিন রিজোর্ট, লাল ভবন, ১৬ রাজউক এভিনিউ, ঢাকা। ফোন-৯৫৫৬২৫১। প্রাসাদ প্যারাডাইজ ইত্যাদি। এসব হোটেলে ৬৫০-১৫০০ টাকায় থাকার ব্যবস্থা আছে। এছাড়া সেন্টমার্টিনের যেকোনো হোটেল বুকিংয়ের জন্য যোগাযোগ করতে পারেন রিভার অ্যান্ড গ্রিন ট্যুরস, ফোন-৮৮২৬৭৫৯।

পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত

চট্টগ্রাম শহর থেকে প্রায় ২২ কিলোমিটার দূরে আকর্ষণীয় একটি ভ্রমণস্থান পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত। পতেঙ্গা থেকেই কর্ণফুলী পতিত হয়েছে বঙ্গোপসাগরে। সুদীর্ঘ এই সৈকতটি ভালো লাগবে আপনার। পতেঙ্গা সৈকতে দেখা মিলবে বাংলাদেমে আসা বিভিন্ন দেশের মালবাহী জাহাজগুলোকে।

এই সৈকতে সন্ধ্যার পর বহির্নোঙ্গরে অপেমান জাহাজগুলোকে দেখা যায় সমুদ্রের মাঝে একটি আলো ঝলমলে শহরের মতো। বন্দর রোড ধরে গেলে নতুন এয়ারপোর্ট এলাকাটিও ঘুরে দেখে আসতে পারেন। এয়ারপোর্টের সামনে কর্ণফুলী নদীর দৃশ্যও অতি মনোহর।

কিভাবে যাবেন
ঢাকা থেকে সড়ক, রেল কিংবা আকাশ পথে আসা যায় বন্দর নগরী চট্টগ্রামে। এ পথে গ্রিন লাইন, সোহাগ, সিল্ক লাইন, নেপচুর প্রভৃতি কোম্পানির এসি লাক্সারি বাসে ভাড়া ৩৫০-৫৫০ টাকা। আর নন এসি এস আরম, সৌদিয়া, শ্যামলী, ইউনিজ, ঈগল প্রভৃতি বাসে ভাড়া ১৯০ টাকা। চট্টগ্রাম শহর থেকে পতেঙ্গার বেবিট্যাক্সি ভাড়া ১০০ টাকা। বাসে গেলে ভাড়া লাগবে ২০-২৫ টাকা।

কোথায় থাকবেন
চট্টগ্রাম শহরে থাকার জন্য বিভিন্ন মানের বেশ কিছু হোটেল আছে। মান অনুযায়ী বিভিন্ন হোটেলে প্রতিদিনের রুম ভাড়া ১০০-৪০০০ টাকা। চট্টগ্রাম শহরের উল্লেখযোগ্য কয়েকটি হোটেল হলো- দক্ষিণ খুলশীতে হোটেল আর্কেডিয়া লি. ফোন-৬৭৪২৪৬, স্টেশন রোডে হোটেল গোল্ডেন ইন চট্টগ্রাম লি. ফোন-৬১১০০৪-৮, আগ্রাবাদে হোটেল আগ্রাবাদ, ফোন-৭১৩৩১১-৮, শেখ মুজিব রোডে হোটেল আনন্দ, ফোন-৭২০৮৫৩, কোর্ট রোডে হোটেল আটলান্টিক, ফোন-৬২১৪৬০, কেসিদে রোডে হোটেল আল সালেহ, ফোন-৬৩২৫০৯, জুবিলী রোডে হোটেল সফিনা, ফোন-৬১৪৩১৭, আন্দরকিল্লায় হোটেল শাহীন, ফোন-৬৩৩৭৫১, সদরঘাট রোডে হোটেল শাহজাহান, ফোন-৬১৮৬৬০। চট্টগ্রামের এনডব্লিউডি কোড-০৩১।

কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত

সকাল বেলায় পূর্ব দিগন্তের জলরাশি ভেদ করে লাল থালার মতো সূর্যোদয়। বিকেলে আবার পশ্চিম দিগন্তে একই রূপে জলে ডুব দেওয়া । একই জায়গা থেকে এ রকম সূর্যোদয় আর সূর্যাস্তের মনোহর দৃশ্য দেখার বিরল জায়গা এ দেশেই আছে।

দেশের দক্ষিণাঞ্চলের অপার সৌন্দর্যের এই লীলাভূমির নাম কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত। এখানকার সৈকতে যারা অগে কখনো যাননি তারা গিয়ে মুগ্ধ হবেন এর অসীম সৌন্দর্যে।

শুধু সমুদ্র সৈকতই নয়; এখানে আছে দেখার মতো আরও অনেক জায়গা। কুয়াকাটা নামের উৎস সেই প্রাচীন কুপ দেখতে পাবেন এখানে এলে। সমুদ্র সৈকতের খুব কাছেই রয়েছে এটি। এই কূপের সঙ্গেই রয়েছে ব্রোঞ্জ নির্মিত বুদ্ধ মূর্তি। এর কাছেই আছে রাখাইন পল্লী। ঘুরে দেখতে পারেন উপজাতিদের এ এলাকাটি।

এখানে থেকে পূর্বদিকে মিশ্রি পাড়ায় রয়েছে আরেকটি বৌদ্ধ মন্দির। এ মন্দিরের পাথর নির্মিতে বুদ্ধ মূর্তিটি এ অঞ্চলের সর্ব বৃহৎ বুদ্ধ মূর্তি। কুয়াকাটা সৈকত ধরে পূর্ব দিকে এগুলো রয়েছে গঙ্গামাতির চর। এ জায়গাটি খুবই আকর্ষণীয়। এর আগে রয়েছে গঙ্গামতির বাঁক।

সকাল বেলা সূর্যোদয়ের দৃশ্য ভালোভাবে দেখতে হলে আসতে হবে এখানে। কুয়াকাটা সৈকত থেকে এ দুটি জায়গাতে যেতে পারেন মোটর বাইকে করে। যেতে জনপ্রতি লাগে ৫০ টাকা। এছাড়া সৈকতের পশ্চিম দিকে রয়েছে শুটকি পল্লী। ঘুরে আসতে পারেন এ জায়গা থেকে।

কিভাবে যাবেন
ঢাকা থেকে কুয়াকাটা যেতে পারেন সড়কপথে কিংবা জলপথে। সড়কপথে ঢাকার কমলাপুর থেকে ছেড়ে যায় বিআরটিসির বাস। এছাড়া গাবতলী থেকে ছেড়ে যায় সাকুরা পরিবহন। ভাড়া ৩৫০-৪৫০ টাকা। এছাড়া ঢাকার সদরঘাট থেকে লঞ্চে পটুয়াখালী এসে সেখান থেকে বাসে আসতে পারেন কুয়াকাটা। লঞ্চে ঢাকা থেকে পটুয়াখালী লঞ্চে প্রথম শ্রেণীর ভাড়া জনপ্রতি ৩০০-৩৫০ টাকা। পটুয়াখালী থেকে বাসে কুয়াকাটার ভাড়া ৪০-৫০ টাকা।

কোথায় থাকবেন
কুয়াকাটায় থাকার জন্য এখন বেশ কয়েকটি হোটেল আছে। এসবের মধ্যে ভালো মানের দুটি হলো পর্যটন করপোরেশনের পর্যটন মোটেল। ফোন-০৪৪১-২৭৫১। ঢাকা অফিস-৮১১৭৮৫৫-৯, ৮১১৯১৯২। এবং অন্য আরেকটি বেসরকারি মালিকানাধীন কুয়াকাটার পঞ্চায়েত পাড়ার এ হোটেলের নাম বিচ ভ্যালি। ফোন-০৪৪১-৬৪১৫১। ঢাকা থেকেও বুকিং দেওয়া যায় এ হোটেলের।
যোগাযোগ : ১২-১৩, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা। ফোন-৯৫৫১৮৮৪, ৯৫৫১২৫৭।

জামতলা সমুদ্র সৈকত

এ সমুদ্র সৈকতটির নামের সঙ্গে অনেকেরই পরিচিতি নেই। অথচ এ দেশের সবচেয়ে নির্জন এবং অনেক অনেক আকর্ষণীয় সমুদ্র সৈকত এটি। তবে এ সৈকতটি দেখতে হলে আসতে হবে সুন্দরবনে। সুন্দরবনের কটকা পয়েন্টের খুব কাছেই সুন্দর এ সমুদ্র সৈকতটির অবস্থান।

একপাশে সুন্দরবনের ঘন জঙ্গল আরেকপাশে সুন্দর এই সৈকত। এত সুন্দর রূপালি বালুকাময় আর পরিচ্ছন্ন সমুদ্র সৈকত এ দেশে বিরল। এ সৈকতটির সৌন্দর্য লিখে বর্ণনা করা কঠিন। তাই ভ্রমণে গিয়েই পরখ করে দেখুন।

কিভাবে যাবেন

জামতলা সৈকতে যেতে হলে কোনো ভালো ভ্রমণ সংস্থার সঙ্গে যেতে হবে সুন্দরবনে। ওই ভ্রমণ সংস্থাই আপনাকে জামতলা সৈকত ঘুরিয়ে দেখাবে। নিজস্ব উদ্যোগে সুন্দরবনে যাওয়া অনেক কষ্টসাধ্য ও ব্যয়বহুল।

সমুদ্র ভ্রমণে সতর্কতা

ভ্রমণে গেলে সবসময়ই কিছু সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত। আর সমুদ্রে ভ্রমণে সে সতর্কতার আরও বেশি প্রয়োজন হয়। সমুদ্রে গিয়ে কখনো অতি সাহসের পরিচয় দিতে যাবেন না। সমুদ্রের জলে ভিজতে গিয়ে কখনোই বেশি দূরে চলে যাবেন না। ভাটার সময় সমুদ্রে নানামা কখনোই উচিত নয়।

যে সৈকতে জোয়ার-ভাটার নির্দেশনা নেই সেসব সৈকতে গেলে স্থানীয় লোকজন থেকে জোয়ার-ভাটার তথ্য জেনে নিন। এ দেশের সমুদ্র সৈকত আমাদেরই সম্পদ। তাই এর কোনো রকম তি করা আমাদের কারোই উচিত নয়। তাই একে পরিচ্ছন্ন রাখতে চেষ্টা করুন সবসময়। কোনো রকম ময়লা-আবর্জনা, পলিথিন, কোনো রকম প্যাকেট ইত্যাদি কোনো কিছুই সৈকতে ফেলবেন না।

সমুদ্র ভ্রমণে আপনার ট্রাভেল ব্যাগ

ভ্রমণে সবসময় হালকা পোশাকই ভালো। ভ্রমণের দিনের উপর বিবেচনা করে প্রয়োজন মতো নিন শর্টস, ট্রাউজার, টি-শার্ট। মহিলাদের জন্য শাড়ির চেয়ে সালোয়ার-কামিজই বেশি উপযোগী ভ্রমণে। ভ্রমণে কখনোই প্রয়োজনের অতিরিক্ত কিছু নেওয়া উচিত নয়। শীতের কাপড়, উলের কানটুপি, জ্যাকেট, অর্ন্তবাস নিন পর্যাপ্ত।

সৈকতে হাঁটার জন্য নিন হালকা রাবার কিংবা রেক্সিনের জুতা সেন্ডেল, ছোট্ট একটি ব্যাগে কটনবাড, নেল কাটার, ব্যান্ড এইডসহ প্রয়োজনীয় ওষুধপত্র রাখুন। বডি স্প্রে, সেভিং কিট, সেভিং ফোম বা জেল, সানস্ক্রিন লোশন, শ্যাম্পু, সাবান, টুথপেস্ট, টুথব্রাশ, ভেজলিন, বডি লোশন, সান গ্লাস, সান ক্যাপ ইত্যাদি নিয়ে নিন প্রয়োজন মতো।

এছাড়াও সঙ্গে নিন অতিরিক্ত ব্যাটারিসহ একটি চর্ট লাইট, পর্যাপ্ত ভাংতি টাকা, ক্যামেরা, ক্যামেরার ফিল্ম, ডিজিটাল ক্যামেরা হলে বাড়তি মেমোরি কার্ড, ক্যামেরার জন্য অতিরিক্ত ব্যাটারি, আপনার ডিজিটাল ক্যামেরাটি রিচার্জেবল লিথিয়াম ব্যাটারিতে চললে চার্জারটি, মোবাইল ফোনের চার্জার, যে এলাকায় ভ্রমণে যাবেন সম্ভব হলে সে এলাকার একটি ভ্রমণ গাইড ইত্যাদি।

কয়েকটি ট্রাভেল এজেন্সির ঠিকানা ও প্যাকেজ

সাউথ এশিয়ান ট্যুরিজম

সাউথ এশিয়ান ট্যুরিজম এর প্যাকেজ ট্যুরগুলোর মধ্যে রয়েছে ঢাকা-শিলং-চেরাপুঞ্জি-ঢাকা (৪ দিন ৪ রাত)। প্রতিজনের ভ্রমণ খরচ পড়বে ৯০০০ টাকা। ঢাকা-দার্জিলিং-শিলিগুড়ি-ঢাকা (৬ রাত ৫ দিন)।
প্রতিজনের খরচ পড়বে ৯০০০ টাকা। ঢাকা-থিম্বু (ভুটান)-দার্জিলিং-ঢাকা (৮ রাত ৮ দিন)। প্রতিজনের খরচ পড়বে ১৫,৫০০ টাকা।

যোগাযোগ

সাউথ এশিয়ান ট্যুরিজম, আহমেদ প্লাজা (এক তলা), ৮১৯, বেগম রোকেয়া সরণি, শেওড়াপাড়া, মিরপুর, ঢাকা-১২১৬। ফোন- ৮০৩১১৮০, ০১৭১৬৪৬৬০৪৭।

রিভার এন্ড গ্রিন ট্যুরস

এ প্রতিষ্ঠানের প্যাকেজ ট্যুরের মাধ্যমে ঘুরে আসতে পারেন বেশ কয়েকটি জায়গায়। প্যাকেজ ট্যুরগুলোর মধ্যে রয়েছে ঢাকা-কক্সবাজার-সেন্টমার্টিন-ঢাকা (৪ রাত ৩ দিন)। প্রতিজনের খরচ পড়বে ৬,৯০০ টাকা। ঢাকা-সুন্দরবন-ঢাকা (৩ রাত ৪ দিন)। প্রতিজনের খরচ পড়বে ৭,৫০০ টাকা। এখানে আবার সুবিধা আছে। আপনাদের যে কোন বাজেটে তারা হোটেল রিজার্ভ করে দেন।

যোগাযোগ
এমআর সেন্টার, বাড়ি-৪৯, সপ্তম তলা, রাস্তা-১৭, বনানী, ঢাকা। ফোন : ৮৮২৬৭৫৯, ০১৮১৯২২৪৫৯৩।

দ্য গাইড ট্যুরস লিমিটেড

ঈদ, পূজা ও শীতের প্যাকেজ ট্যুরের আয়োজন করেছে এ প্রতিষ্ঠান। ঢাকা-বান্দরবান-ঢাকা। এখানে থাকার জন্য মুনিয়া কটেজ, খরচ হবে ১,৫০০ টাকা, টুনটুনি-কটেজে থাকার জন্য খরচ পড়বে ১,২০০ টাকা, ময়না কটেজে থাকার জন্য খরচ নেবে ১,২০০ টাকা। ঢাকা-সুন্দরবন-ঢাকা (৪ দিন ৫ রাত)। প্রতিজনের খরচ পড়বে ৯,৫০০ টাকা।

যোগাযোগ
দর্পণ কমপেক্স (দ্বিতীয় তলা), প্লট-২, গুলশান -২, ঢাকা-১২১২। ফোন- ৯৮৮৬৯৮৩।

প্রাইম ট্যুরিজম নেটওয়ার্ক লিমিটেড

প্যাকেজ ট্যুরগুলোর মধ্যে রয়েছে ঢাকা-সেন্টমার্টিন-ঢাকা (৪ দিন ৩ রাত)। প্রতিজনের খরচ হবে ৪,৯০০ টাকা, ঢাকা-কক্সবাজার-ঢাকা (৪ দিন ৩ রাত) প্রতিজনের খরচ হবে ৪,৯০০ টাকা, ঢাকা-কুয়াকাটা-ঢাকা (৪ দিন ৩ রাত) প্রতিজনের খরচ হবে ৪,১০০ টাকা।
যোগাযোগ
২, আরকে মিশন রোড, মোতালেব ম্যানশন, ক-৫০৬ (৫ম তলা) ঢাকা। ফোন : ৯৫৬২৪&