|
মাঝের কিছুটা সময় চলচ্চিত্র থেকে দূরে ছিলেন তিনি। নতুন তিনটি ছবিতে অভিনয়ের মাধ্যমে
আবারও ফিরে এলেন দিতি। আমি সিনেমা থেকে টেলিভিশনকে বেশি প্রাধান্য দিচ্ছি তা কিন্তু
নয়, আসলে সিনেমার জন্য যে রকম প্রস্তুতি বা সময়ের প্রয়োজন হয় তা এত দিন হাতে ছিল
না। এখন থেকে আবার নিয়মিত হওয়ার চেষ্টা করছি, বলেন দিতি।
১২ মার্চ থেকে শাহ আলম কিরণের এই যে দুনিয়া কিসের লাগিয়া ছবির শুটিং
শুরু করছেন। এখানে তাঁর বিপরীতে আছেন আলমগীর। ভালো পরিচালক, সহকর্মী ও ভালো চরিত্র
পেলে আমি কখনো না বলিনি এবং বলবও না। এই তো কিছু দিন আগে শেষ করলাম শাহীন সুমনের
অংক, এফ আই মানিকের এ দেশ তোমার আমার ছবির কাজ।
এ ছবি দুটিতে আমার চরিত্র একজন অভিনেত্রীর চাহিদা মেটানোর মতো। আমি সন্তুষ্ট। বললেন
দিতি। দিতিকে বছরে কমপক্ষে দুবার কানাডা যেতে হয়। সেখানে তাঁর মেয়ে থাকে। এটাও
কাজের জন্য একটি বড় অন্তরায়। এ ছাড়া তিনি বেশ কিছু সামাজিক কর্মকাণ্ড নিয়ে ব্যস্ত
আছেন।
যেমন এতিম শিশুদের জন্য তহবিল গঠন, নিম্ন আয়ের পরিবারের সদস্যদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি
প্রভৃতি। এ মুহূর্তে তাঁর অভিনীত বেশ কিছু ধারাবাহিক নাটক বিভিন্ন চ্যানেলে প্রচার
হচ্ছে, গুলশান এভিনিউ, দায়বদ্ধ, সোনার হরিণ । রান্নাবিষয়ক অনুষ্ঠান
আমাদের রান্নাঘর-এ তিনি নিয়মিত উপস্থাপনাও করছেন। উপস্থাপনা করছেন
চলচ্চিত্রবিষয়ক অনুষ্ঠান ছায়া ঝংকার ।
আর সামনের মাসে খুনসুটি নামে একটি নাটক দিয়েই শুরু করতে চান পরিচালনা।
তবে চলচ্চিত্র নির্মাণ নিয়ে এ মুহূর্তে তেমন কিছু ভাবছেন না। তিনি বলেন, নাটক আর
চলচ্চিত্র এক নয়। চলচ্চিত্র নির্মাণে যে-সময় চিন্তা বা ধ্যানজ্ঞান প্রয়োজন তা এখনো
আমার হয়নি। আরো অপেক্ষা করব। তবে চলচ্চিত্র যদি নির্মাণ করি তাহলে সেটা শতভাগ
বাণিজ্যিক হবে।
চলচ্চিত্রকে নিয়ে দিতির আজও অনেক দায়বদ্ধতা। তিনি হারানো সহকর্মীদের জন্য খুব কষ্ট
অনুভব করেন। জাফর ইকবাল, সোহেল চৌধুরী, জসিম সবাই তার কাছে খুব আপন ছিলেন। বিশেষ
করে সালমান শাহকে তাঁর খুব মনে পড়ে। সালমান আর আমি এক সময় একই বিল্ডিংয়ে থাকতাম। ও
আমাকে খালা বলে ডাকত। খুব মিষ্টি একটি ছেলে ছিল।
|