|
Demo text Will the political culture change and JS turn into the centre
of politics
|
|
গৃহসজ্জা |
|
একটু অন্যরকম
ঘর... |
 |
|
বছরজুড়ে আপনার
গৃহসজ্জা কেমন থাকে? এক রকম নিশ্চয়ই নয়। কিছুটা অদলবদল ঘটিয়ে
বৈচিত্র্য আনতে চান। তাহলে কেমন হবে আপনার ঘরের সাজ?
আচ্ছা, দুটি প্রশ্ন করি। যদি উত্তর দিতে পারেন, তবে সেরা
ডিজাইনারদের আপনিও একজন। ধরুন একটি খাবার ঘরের অভ্যন্তর, সমস্ত
আসবাবে শুধু সাদা আর সাদার পরত, আর টেবিলের ঠিক মাঝখানে শুভ্র
ফুলদানিতে মাত্র একটি লাল গোলাপ।
বলতে পারেন হঠাৎ করে এ ঘরে ঢুকে কোথায় আটকে যাবে আপনার চোখ? আবার
ধরা যাক, এক বিশাল সাদা ক্যানভাস যাতে হলুদ, নীল, বেগুনি, কালো,
সবুজ, আসমানি নানা রঙের মেলা, আর ঠিক মাঝখানে এক পোচ টকটকে লাল।
বলতে পারেন, কোনটাকে এড়ানোই যাবে না। হ্যাঁ উত্তরটা হচ্ছে লাল।
কারণ লাল সব সময়ই সবখানে সবার আগে চোখে পড়ে।
সেদিক থেকে উৎসবমুখর পরিবেশে আপনার পছন্দে প্রাধান্য পেতে পারে লাল
রং যেখানেই রাখুন না কেন, শৈল্পিক উপস্থাপনে লালের লালিমায় উৎসব হবে
আরও প্রাণময়, উচ্ছ্বাসে ভরপুর। উৎসব মানেই আনন্দ, স্বাধীন উল্লাস,
গতানুগতিকতার বাইরে উদ্দাম সজীবতার আস্বাদন।
 |
আর সেক্ষেত্রে
সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখে আড্ডা। এবারের শরতের ঈদে সে চিন্তা
থেকেই সাজাতে পারেন আপনার প্রিয় অন্দর-বাহির। যদি সুবিশাল হয়
আপনার লিভিং রুম, তবে তা দুই ভাগে ভাগ করে ফেলতে পারেন।
এক অংশে
থাকবে ফর্মাল আবহে সোফাসেট আর অন্য পাশে মেঝেতেই বসার ব্যবস্থা। যেভাবে সব সময়
সোফাসেটটা রাখেন তার চেয়ে একটু ভিন্নতা সৃষ্টি করে সাজিয়ে
ফেলুন আপনার সোফাসেট আর বহুল ব্যবহৃত সেন্টার টেবিলটা অন্তত ওই
দিনের জন্য লুকিয়ে ফেলুন,
তার বদলে মাঝারি মাপের দুটি মাটির
পটারির উপর আড়াই ইঞ্চি থেকে ৪ ইঞ্চি মাপের একটি গ্লাসটপ রাখুন;
যা অনায়াসে আপনার টেবিলের ভূমিকা পালন করবে।
|
আর দুই পটারির
মাঝে একটি মাটির পাত্রে পরিষ্কার পানিতে ছড়িয়ে দিন সুগন্ধি ভাসমান
শুকনো ফুল অথবা সতেজ পাতা। ভাবুন তো, কেমন হলো? নিশ্চয়ই অন্যরকম আর
রাতের জন্য রাখুন ঝুলন্ত ল্যাম্পশেড, হতে পারে তা হ্যান্ডমেইড
পেপার দিয়ে নিজের তৈরি অথবা পছন্দমতো কোনো শোরুম থেকে কেনা।
রাতের অন্ধকারে ল্যাম্পশেডের মায়াবি আলোয় ভাসমান ফুলের উষ্ণ
আন্তরিকতায় আপ্যায়নের আনন্দে উদ্বেলিত হবেন নিশ্চয়ই। ও হ্যাঁ, অন্য
পাশে রাখতে পারেন দেশীয় ঐতিহ্যের চিরায়ত অনুষঙ্গ পাটি। জানেন তো
বাজারে এখন নানা ধরনের কাজ ও ডিজাইনের লেইস পাওয়া যায়।
পছন্দমতো লেইস কিনে পাটির চারপাশে লাগিয়ে নিন আর বালিশের কভারগুলো
বদলে দিতে পারেন এর সঙ্গে মিল রেখে। সঙ্গে রাখুন ছোট-বড় নানা মাপের
কিছু কুশন। এখানে একটা কলে রাখা দরকার, যাই করুন না কেন,
অন্দরসজ্জার প্রথম ও প্রধান বিবেচ্য বিষয় হচ্ছে পরিচ্ছন্নতা। |
|
আর তাই
পরিচ্ছন্ন সুশৃঙ্খল উপস্থাপনাই গৃহকোণকে দেবে আলাদা মাত্রা।
হ্যাঁ, বর্ষার বিদায়ী উপহার এখন প্রাকৃতিক সবুজের নানা মাত্রা,
তাই কিছু সবুজ গাছ রাখতে পারেন হোক তা পরিচিত হলুদ ফুল ভরা
আলমণ্ডা।
ঘরটি যদি বারান্দা লাগোয়া হয় তাহলে তো কথাই নেই। শুধু এই অংশের
পর্দাটা নামিয়ে লাগিয়ে দিন ফিনফিনে নেটের পর্দা, পাশ ঘেঁষে
মাঝারি মাপের টবের গাছ অথবা পটারির মাঝে রাখুন শুকনো বড় ঘাস।
দিন বা
রাত সব সময়ই সতেজ থাকবে আপনার পরিবেশ। ভাবছেন, যাদের এত বড় লিভিং
নেই তারা কী করবেন? আলাদা আলাদা ঘরে এমনটি করতে পারেন; কারণ
বন্ধু, প্রিয়জন বা কাছের লোকরা যেমন |
 |
|
| |
|
একসঙ্গে
বাঁধভাঙ্গা আনন্দে মেতে উঠতে পারে তেমনি প্রতিবেশী, সহকর্মী,
পরিচিত শ্রদ্ধাভাজন ব্যক্তিত্বের জন্য প্রয়োজন কিছুটা ফর্মাল
আবহ। আর চাহিদা অনুযায়ী দুই ধরনের প্রস্তুতি নিয়ে আপনি এখন তৈরি।
আরেকটা কথা, লোডশেডিং এখন নাগরিক জীবনে অনিবার্য হয়ে পড়েছে।
ধরুন মোম জ্বালাবেন, খুব স্বাভাবিক; সবাই মোমের আলোয় আলোকিত
করবে বিদ্যুৎহীন সময়টুকু। বেশ তো, এখানেই অপেক্ষা করছে আপনার
বাড়তি কারিশমা আর তা হচ্ছে সুন্দর কোনো কুপি কিনে নিন,
মোমবাতিটাকে কুপির মধ্যে বসিয়ে আপনার ঘরে তৈরি করুন রাজমহলের
আভিজাত্য। সৃষ্টিশীল দৃষ্টি যাদের, তারা লুফে নেবে আপনার আইডিয়া।
মুগ্ধতার স্নিগ্ধ ভালোবাসায় সিক্ত হবেন আপনি। এবার দৃষ্টি দেওয়া
যাক প্রবেশদ্বারে, কারণ অভ্যর্থনার শুরুটাতেই থাকা দরকার উষ্ণ
আন্তরিকতামাখা দরাজ আহ্বান। ব্যবহার করতে পারেন নানা মোটিফের
পর্দা। তা হতে পারে পুঁতির তৈরি; নিচে থাকল ছোট্ট ধাতব ঘন্টা,
টুংটাং আওয়াজ করে জানান দেবে কারও আগমনধ্বনি, হতে পারে মাটির
তৈরি অথবা সুতার।
কিন্তু যারা একটু জাঁকজমক পছন্দ করেন তাদের জন্য অর্ধভেদন
ক্ষমতা আছে এমন উপাদান তৈরি কোনো পর্দা। স্থানের সুব্যবস্থাপনা
আর নিজস্ব রুচির পরিচ্ছন্ন প্রকাশের সমন্বয় চাই। এ নিয়ে ভরে
উঠুক আপনার ঘর। দেখবেন, কোনো না কোনোভাবে আপনার স্বাতন্ত্র্য
ফুটে উঠেছে। ঈদে আপনার ঘর কবিতার মতো অনুভবযোগ্য হয়ে উঠুক।
|
|
<<< আগের পৃষ্ঠা |
|
|
 |
|
|
New Page 1
|
|
|