New Page 1
  |  Make your Homepage  |  Updated 3:00 pm (BST) Fri, Mar 12, 2010
www
www bdinfo

 Newsletter:   Your E-mail

Home  |  News  |  Business  |  Sports  |  Cricket  |  Lifestyle  |  Gadgets  |  Music  |  Food  

 
 
     
Demo text Will the political culture change and JS turn into the centre of politics
 
 

কোনটি দেশী দশের সদস্য নয়?

দেশাল 

অরন্য  

বিবিয়ানা

প্রবর্তনা

 

Name

 

Your Email

 
ফ্যাশন

ট্রেন্ডি টিন ফ্যাশন

বাংলাদেশের টিন ফ্যাশন নিয়ে কাজ করতে গিয়ে আপনাকে অন্তত দুবার ভাবতে হবে। কেননা কাজটা নিতান্তই চ্যালেঞ্জিং। তেরো থেকে আঠারো বছর বয়সীদের সঙ্গে কথা বলে আর নগরীর ফ্যাশন হাউসগুলো ঘুরে যে অভিজ্ঞতা তা আর যা হোক ইতিবাচক বলা যাবে না।

সব দেখেশুনে মনে হচ্ছে আমাদের টিনরা শিশু আর পরিণতদের পোশাকের মধ্যে আটকে আছে। এর মধ্য থেকেই তারা বাধ্য হচ্ছে বেছে নিতে। টিনদের সঙ্গে কথা বলে ওদের পছন্দ-অপছন্দের স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে যেমন জানা গেছে তেমনি অনুভব করেছি ওদের পারসোনালাইজড স্টাইলের প্রয়োজনীয়তা।

দুঃখজনক হলেও সত্যি, আমাদের কিশোরেরা রয়েছে একাধারে সামাজিক বিধিনিষেধ আর আর্থিক টানাপোড়েনের মধ্যে। ওদের জীবনে অ্যাডভেঞ্চারিজমের পথ রুদ্ধ হলেও সুখের কথা, বিশেষত মেয়েদের ক্ষেত্রে গ্ল্যামার আর ইচ্ছেটা রয়েছে শতভাগ।

সম্পূর্ণ ওয়েস্টার্ন আর ফিউশন ট্রেন্ড, শুরু থেকে মধ্য কৈশোরের দারুণ উপযুক্ত। থ্যাঙ্কস টু আওয়ার এক্সপোর্ট গামেন্টস অ্যান্ড নিটওয়্যার ইন্ডাস্ট্রি, আমরা সাধ্যের মধ্যে পেয়ে যাই অসম্ভব সুন্দর সব টপ, ড্রেস, ট্রাউজারসহ নানা ধরনের পোশাক।

অন্যদিকে আমাদের ট্রাডিশনাল সালোয়ার-কামিজেও এমন ফিউশন ফ্যাশনের ধারা চলছে। বাসা থেকে কলেজ বা ইউনিভার্সিটি আর কোচিংয়ে দৌড়ে ফেরা মেয়েদের পায়ের সঙ্গী ফ্ল্যাট এবং পাম্প ও তার কাঁধের সঙ্গী বড় ব্যাগ। বলতে গেলে এটাই তাদের মৌলিক প্রয়োজন।

এখন চ্যালেঞ্জটা হলো এই জিনিপত্তরকে স্টাইলাইজ করা। এক্সট্যাসি, ট্রেন্ডজ, ওয়েসটেক্স আর টেলিভিশন চ্যানেলগুলো বড় ভূমিকা পালন করে চলেছে সমস্যার সহস সমাধান দিয়ে। কারণ ওয়েস্টার্ন পোশাকে স্বচ্ছন্দ টিনরাই এদের টার্গেট ক্লায়েন্ট। ইজি ফিট নিট টপস, ট্রাউজার আর লং স্কার্ট মূলত টিনদে ফ্যাশনের জন্য।

বলতে দ্বিধা নেই, বেস্ট বায়িজ আর বঙ্গবাজার, ঢাকা কলেজের বিপরীতের দোজা মার্কেট, উত্তরার রাজলক্ষ্মী কমপ্লেক্সের টপ ফ্লোর আর এই ধরনের পোশাকের পসরা নিয়ে বসা ছোট ছোট দোকানগুলো। এখানে মিলবে স্টকলট, যা কিনা এইচ অ্যান্ড এম জারা জর্জ, ট্যামির মতো সব নাম করা ব্রান্ডের।

তবে কেনার সময় মান আর খুঁত ভালো করে দেখে নিতে হবে। আর বার্গেইনের সুযোগ তো আছেই। এই ঝক্কিটা সামলাতে পারলে আপনি পেয়ে যাবেন ট্রেন্ডিয়েট ডিজাইনের পোশাক, একবারেই নামমাত্র মূল্যে।

গালোয়ার-কামিজ দিয়েই শুরু করা যাক। কাটের বৈচিত্র্য, বলার অপেক্ষা রাখে না, এ ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই পোশাকে মিড থেকে লেট টিনের মেয়েরা অবশ্যই হতে চাইবেন না তাদের মা কিংবা খালা-ফুফুদের রেপ্লিকা। দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্যি, এমনটিই বাস্তবে হচ্ছে।

ফলে সময়ের ধারায় হারিয়ে যাচ্ছে টিন আইডেনটিটি। প্রাত্যহিক জীবনে পোশাকের ক্ষেত্রে সহজ সমাধান হলো কাপড় কিনে বানিয়ে নেওয়া। এ ক্ষেত্রে অবশ্যই কাপড়টা তাকে পছন্দ করতে হবে। কাপড়ের রঙ, প্রিন্ট আর কাট বেছে নিতে হবে নিজের ব্যক্তিত্বের সঙ্গে মিল রেখে। পাশাপাশি ভুলে গেলে চলবে না লাইফস্টাইল, অকেশন আর প্রয়োজনীয়তাকেও। এসব নিরীক্ষার বিষয় হতে পারে।

ওয়েস্টার্ন ক্লোদসের জন্য স্টাইলিং টিপস

আউট অব ফ্যাশন
টাইট ফিটিং শর্ট টি-শার্টের সঙ্গে টাইট অথবা বুটকাট জিন্স। আপদমস্তক প্রতিটি জিনিসই রঙ মিলিয়ে পরতে হবে তা কিন্তু নয়। কেননা রঙ মিলিয়ে পোশাক পরার ধারণাটি সেকেলে। এখন গুরুত্ব দেওয়া হচ্চে তার নিজের রঙের ওপর। সমন্বয়ের শুরু সেখান থেকেই।

ইন ফ্যাশন
ফিট বাস্টলাইন আর ঢিলেঢালা কোমর অর্থাৎ ট্রাপিজ বা স্মকের লম্বা স্কিন টাইট জিন্স। লম্বা অথবা থ্রি-কোয়ার্টার লেগিংসের সঙ্গে হালকা কটন সানড্রেম। লম্বা চিলে টিউনিক এবং সেমিফিট নিট ড্রেসের বেল্ট আর থ্রি-কোয়ার্টার লেগিংস।

থ্রি-কোয়ার্টার হাফ প্যান্টের সঙ্গে শার্ট। তার উপরে নিট ফ্যাব্রিক অথবা ডেনিমের গ্রে, ব্ল্যাক অথবা পেল ব্লু জিলেট বা ওয়েস্ট কোট। এই কম্বিনেশন দারুণ ট্রেন্ডি। জুতো অবশ্য পাম্প শু, না হয় আরামদায়ক ফ্লাট। এগুলো যতটা ট্রেন্ডি ততটাই বাস্তবসম্মত।

তবে অবশ্যই নয় জরি ও পাথর বসানো সস্তা স্যান্ডেল। তাহলেই ষোলআনা শেষ। বরং উজ্জ্বল রঙের স্ট্র্যাপি স্যান্ডেল বা শু চলতে পারে হালকা রঙের ড্রেসের সঙ্গে। আবার উজ্জ্বল টপ পরলে দিব্যি মানিয়ে যাবে কালো অথবা বাদামি জুতো।

দেশি পোশাকে টিন ট্রেন্ডের ক্ষেত্রে যাত্রার নামই শুরুতে মনে আসবে। মায়াসির অবশ্য ফান প্রডাক্টের একটা রেঞ্জ রেখেছে যা কিছুটা অন্যরকম বা গতানুগতিক কামিজ থেকে আলাদা। উদাহরণ হিসেবে বলা যায় পেল পিংক ক্রপড জ্যাকেট।
 

চমৎকার এই সিল্ক জ্যাকেটটি সিল্কের হালকা কোনো ড্রেস বা স্কার্ট-টপসের সঙ্গে দিব্যি মানিয়ে যায়। তাছাড়া প্যান্ট, থ্রি-কোয়ার্টার অথবা স্কার্টের সঙ্গে ফতুয়া ফিউশন হিসেবে দৃষ্টিনন্দন। মেয়েদের ট্রাডিশনাল থ্রি-পিসের ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য পূর্বশর্ত অবশ্যই উজ্জ্বল রঙ, এমব্রয়ডারি কিংবা ম্যাচিং প্রিন্ট্ যদিও প্রত্যেকেই একইভাবে পোশাক পরবে তা নয়।

তবে অ্যাক্সেসসরিজের সঙ্গে পোশাকের রঙ মিলিয়ে তৈরি হয় স্টেটমেন্ট। সেদিন তো আর নেই যে, পা থেকে মাথা পর্যন্ত রঙ মিলিয়ে পরতে হবে। বরং কোনো একটা ফোকাল পয়েন্টকে ঘিরে গড়ে উটবে আলটিমেট স্টাইল। এই যেমন কালো ড্রেস হলে উজ্জ্বল অ্যাক্সেসরিজ, জুতো আর ব্যাগ নিন।

পোশাক নিরীক্ষা
ইচ্ছে করলে বোলেরো বা জ্যাকেট যোগ করতে পারি কামিজের সঙ্গে। আর সালোয়ারের বদলে লেগিংস কিন্তু মন্দ হয় না। বরং একেবারেই ইন ফ্যাশন। ট্রাডিশনাল থ্রি-পিসের কনসেপ্টকে অন্যভাবে ভাবাই যেতে পারে। টাইটস, স্টাইল আর টপস বা টিউনিক। সঙ্গে শর্ট স্কার্ফ, পাম্প শু।

ফতুয়া আর জিন্স সাম্প্রতিক তো বটেই, এখনকার জনপ্রিয় যুগলবন্দিও। একটা এক্সপেরিমেন্ট আসছে সামারে করলে মন্দ হয় না। ফতুয়ার সঙ্গে থ্রি-কোয়ার্টারের ট্রাউজার বা ক্যাপ্রি। কিংবা শর্ট কামিজের সঙ্গে প্যান্ট। দারুণ জমবে, তা বলে দেওয়া যায়। সামার স্টাইলটা নিয়ে আগেই প্ল্যান করে নিতে পারে টিনরা।

 
New Page 1
 
 
 
Home

Home  About Us  |  Web Solutions  |  Advertise With Us  Disclaimer

News | Business| Sports  | Cricket | Lifestyle | Gadgets | Music| Food | Service Info | Buy & Sell | 2funmail.com | DeshiMobile

Copyright © 2010 Aamra Infotainment Limited. All rights reserved