| |
|
আবার প্রেমে
পড়েছেন জেনিফার অ্যানিস্টন |
 |
হলিউডের নামকরা অভিনেত্রী রেস
জেনিফার অ্যানিস্টন আবার প্রেমে পড়েছেন। অন্তত একটি রিপোর্ট অনুযায়ী সেই কথাই বলা
যায়। রিপোর্টটিতে বলা হয়েছে, তিনি গায়ক জন মেয়ারের প্রেমে পড়েছেন। ৩৯ বছর বয়সী এ
অভিনেত্রী গত মাসে মায়ামিতে ৩০ বছর বয়স্ক মেয়ারের সঙ্গে একটি রোমান্টিক ডিনার ডেটে
গিয়েছিলেন। মায়ামিতে তিনি তার নতুন মুভি মার্লি অ্যান্ড মি ছবিতে অভিনয় নিয়ে
ব্যস্ত রয়েছেন।
তাছাড়া সাউথ বিচে তাদের একই হোটেলে সময় কাটাতেও দেখা গিয়েছে। জেনিফার
অ্যানিস্টনের ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র দি ডেইলি মেইল-কে জানিয়েছেন, জেনিফার সত্যিই জনের
প্রেমে পড়েছেন এবং তাদের মধ্যে নয় বছরের ব্যবধান তাকে এক মুহূর্তের জন্যও ভাবায়
না।
তিনি তাঁর বন্ধুদের এরই মধ্যে জানিয়ে দিয়েছেন, তিনি এ মানুষটির প্রেমে পড়ে
গিয়েছেন। জন মেয়ার এরই মধ্যে নিউ ইয়র্কে ফিরে গিয়েছেন। কিন্তু জেনিফার অ্যানিস্টন
এ কথা জানিয়েছেন যে, তিনি আশা করেছিলেন তারা মায়ামিতে একসঙ্গে আরো সময় কাটাবেন।
তিনি মেয়ারকে অনেক বেশি সময় ধরে দেখতে চান।
 |
এক হলিউড
দম্পতির
বিয়ের চার বছর |
তিন বছরের বেশি সংসার
করাটা এখানে সত্যিই লম্বা সময়, বলেন- হলিউড অ্যাকট্রেস কেটি বেকিনসেল। কথাটা
মিথ্যা নয়। চার বছর বিবাহিত থাকাটা হলিউড ম্যারিজ ওয়ার্ল্ডে লাইফ টাইমই বলা
যায়। কয়েকটি উদাহরণ দিলে বুঝবেন-যেমন লেজেন্ড অ্যাকট্রেস এলিজাবেথ টেলর ও
প্যারিস হিলটনের দাদা নিকি হিলটনের বিয়ের স্থায়িত্ব ছিল আট মাস। পপ স্টার
জেনিফার লোপেজ ও ক্রিস জার্ডের দাম্পত্যও আট মাসের।
কারমেন ইলেক্ট্রা-ডেনিস রডম্যানের ডিভোর্স হয় বিয়ের পাচ মাস পরেই। ড্রিউ
ব্যারিমোর জেরেমি থমাস এক সঙ্গে ছিলেন ৩০ দিন। নিকোলাস কেজ ও লেজেন্ড সিঙ্গার
এলভিস প্রেসলির মেয়ে লিসা মেরি প্রেসলির বিয়ের স্থায়িত্ব তিন মাস পনের দিন।
আর ব্রিটনি স্পিয়ার্স ও জেসন অ্যালেন জুটির বিয়ে টিকে ছিল মাত্র ৫৫ ঘণ্টা।
সে তুলনায় দি অ্যাভিয়েটর, পার্ল হারবার ও আন্ডারওয়ার্ল্ড মুভির স্টার কেটি
বেকিনসেল ও ডাই হার্ট আন্ডারওয়ার্ল্ড ছবির ডিরেক্টর লিন ওয়াইজম্যানের বিয়ের
চার বছরকে নিশ্চয় লম্বা সময়ই বলা যায়। আগামী মে মাসে এ হ্যাপি কাপলের চতুর্থ
অ্যানিভারসারি। সংসার চার বছরের হলেও লিলি নামে তাদের নয় বছরের একটি মেয়ে আছে।
ডিরেক্টর লিনওয়াইজম্যান এখন বিগ বাজেটের ভ্যাম্পায়ার ছবি আন্ডারওয়ার্ল্ডের
প্রিকুয়াল নির্মাণ নিয়ে ব্যস্ত। অন্য দিকে কেটি বেকিনসেল সুপারস্টার রবার্ট
ডি নিরোর সঙ্গে এভরিবডি ইজ ফাইন শীর্ষক একটি নতুন মুভির শুটিং করছেন। অবশ্য
বিয়ে বার্ষিকীর দিনটি কেটি ও লিন একসঙ্গে কাটাবেন বলেই আশা করা হচ্ছে।
|
|
তারকাদের সন্তান
দত্তক নেয়ার প্রবণতা
বিশেষজ্ঞদের তীর্যক
দৃষ্টি |
 |
হলিউড তারকাদের মধ্যে সন্তান
দত্তক নেয়ার প্রবণতা দেখা দিয়েছে। সন্তান দত্তক নিয়েছেন ম্যাটেরিয়াল গার্লখ্যাত পপ
সংগীত শিল্পী, অভিনেত্রী ম্যাডোনা, নায়িকা অ্যাঞ্জেলিনা জোলি। ২০০৬ সালে জাম্বিয়া
থেকে ডেভিড বানদা নামের একটি শিশুকে দত্তক নিয়েছেন ম্যাডোনা-গাই রিচি দম্পতি।
অন্যদিকে ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া এবং ইথিওপিয়া থেকে তিনটি শিশুকে দত্তক নিয়েছেন
অ্যাঞ্জেলিনা জোলি-ব্রাটপিট দম্পতি। তারা ভিয়েতনাম থেকে দত্তক নিয়েছেন প্যাক্স
থিয়েনকে। কম্বোডিয়া থেকে দত্তক নিয়েছেন ম্যাডোক্সকে। আর ইথিওপিয়া থেকে দত্তক
নিয়েছেন জাহারা নামের এক শিশুকে।
এসব শিশুকে তারা আফ্রিকা মহাদেশের দরিদ্রপীড়িত দেশগুলো থেকে দত্তক নিয়েছেন। দেশ,
স্বজন, খেলার সাথী, আপনজনদের ছেড়ে বিদেশ বিভূঁইয়ে তারা অঢেল অর্থের মধ্যে বেশ আছে।
দত্তক নেয়ার এ বিষয়টি নিয়ে অনেক তর্ক-বিতর্ক হয়েছে। ম্যাডোনা যে ডেভিড বানদাকে
দত্তক নিয়েছেন তা নিয়ে তাকে রীতিমত আদালতে দাঁড়াতে হয়েছে। মোকাবিলা করতে হয়েছে নানা
সঙ্কট।
অভিযোগ করা হয়েছিল তিনি জাম্বিয়া সফরকালে ২০০৬ সালে ডেভিড বানদার পিতাকে নানাভাবে
ফুসলিয়ে তার সন্তানকে দত্তক নিয়েছেন। অথবা ম্যাডোনা ডেভিডের পিতাকে অর্থের লোভ
দেখিয়েছেন। কিন্তু ডেভিডের পিতা সাংবাদিকদের কাছে মুখ খুললে কেটে যায় রহস্য।
ডেভিডের পিতা সাংবাদিকদের বলেছিলেন- তার স্ত্রী বেঁচে নেই।
ছোট্ট ডেভিডকে বাড়িতে দেখাশোনা করার কেউ নেই। দূর সম্পর্কের আত্মীয়দের কাছে ডেভিডকে
রেখে তিনি নিত্যদিন কাজে বের হন। কাজ শেষে বাড়ি ফিরে তারপর ছেলেকে গোসল করান। তাকে
খাওয়ান। এভাবে একটি সন্তানের সুষ্ঠু তদারকি হয় না। তাই ডেভিডকে যখন ম্যাডোনা দত্তক
চান তাতে তিনি রাজি হয়ে যান।
তবে ম্যাডোনাকে তিনি একটি শর্ত জুড়ে দেন। তাহলো- ডেভিড বানদাকে মাঝে মাঝে নিয়ে
সাক্ষাৎ করাতে হবে পিতাকে, তাতে তার সন্তানের স্নেহের জন্য তৃষিত মন একটু হলেও
সান্ত্বনা পাবে। পরে নানা রকম গুজব ডালপালা ছড়ায়। কিন্তু ম্যাডোনা সেসব পরিস্থিতি
সামাল দিয়ে উঠেছেন।
 |
ডেভিডের
দেখাশোনা করছেন নিজের সন্তানের মতোই। তার থাকা, খাওয়ার জন্য করেছেন ব্যাপক
আয়োজন। মেয়ে লর্ডিসকে সঙ্গে নিয়ে কোথাও বেড়াতে গেলে ডেভিড বানদাকে সঙ্গে নিতে
ভোলেন না। পোশাক আশাকে নেই কোন কার্পণ্য। কিনে দিচ্ছেন দামি দামি খেলনা।
কিন্তু সন্তান দত্তক নেয়ার এ ঘটনাটি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে লিভারপুল
ইউনিভার্সিটির একদল মনোবিজ্ঞানী। তাঁরা গবেষণা করে বলেছেন- সন্তান দত্তক
নেয়ার এ প্রবণতা দরিদ্র বিশ্বের জন্য ক্ষতিকর। তারা বলেছেন, পশ্চিমা সেলিব্রিটিরা
সন্তান দত্তক নিচ্ছেন। |
দত্তক নেয়া সন্তানরা অগাধ অর্থের
মালিক ওইসব সেলিব্রিটির প্রতিপালনে যেয়ে ভাল থাকবে এমনটা নিশ্চিত অনেক অভিভাবক। ফলে
দরিদ্র দেশগুলোর অভিভাবকরা তাদের সন্তানকে এতিমখানায় পাঠাতে ব্যস্ত হয়ে পড়বেন।
এতে অনেক শিশু মা-বাবার ভালবাসা থেকে বঞ্চিত হবে। গবেষকরা বলছেন, আন্তর্জাতিক দত্তক
প্রথা চালু হলে তাতে ক্ষতিগ্রস্ত হবে ওইসব শিশু। গবেষক দলের প্রধান প্রফেসর কেভিন
ব্রাউনের দাবি- অনেকেই বলতে পারেন যে, আন্তর্জাতিক দত্তক প্রথার কারণে অনেক অনাথ
শিশু উপকৃত হবে।
কিন্তু মুদ্রার অপর পৃষ্ঠার পাঠ কেউ গ্রহণ করছেন না। আমরা এখন দেখতে পাচ্ছি যে,
দরিদ্র দেশগুলোর অভিভাবকরা তাদের সন্তানদের এতিমখানায় ফেলে যাচ্ছে। এটা দত্তক
প্রথার জন্য হচ্ছে। অনেক সেলিব্রিটি অনিচ্ছাকৃতভাবে দত্তক প্রথা আন্তর্জাতিকীকরণ
করছেন।
গবেষণায় দেখা গেছে, ইউরোপ এবং সম্ভবত অন্যান্য স্থানে এতিমখানায় যেসব শিশু
রয়েছে তাদের মধ্যে শতকরা ৯৬ ভাগ প্রকৃত এতিম নয়। কারণ তাদের বাবা অথবা মা বেঁচে
আছে।
|
হ্যালি বেরি
কন্যা সন্তানের মা হলেন |
 |
|
অস্কার বিজয়ী অভিনেত্রী হ্যালি বেরি প্রথম
সন্তানের মা হলেন। তার প্রথম সন্তানটি মেয়ে। পিপল সাময়িকী এ খবর জানিয়েছে।
কোথায় মেয়ে জন্মগ্রহণ করেছে বা তার নাম কি রাখা হয়েছে সে ব্যাপারে কিছুই জানানো হয়নি।
তবে পিপলের রিপোর্টে বেরির এক মুখপাত্র মেরেডিথ ও সুলিভানের বক্তব্য উদ্ধৃত করে
জানানো হয়, ৪১ বছর বয়স্ক অভিনেত্রী এখন চমৎকার আছেন। শিশুর বাবা ৩২ বছর বয়স্ক মডেল
গেব্রিয়েল অব্রি। দুই বছর আগে লস এঞ্জেলেসে ভারসচ্চির একটি বিজ্ঞাপনে অংশ নেয়ার সময়
বেরি ও গেব্রিয়েলের পরিচয় হয়।
গত বছর ওপরাহ উইনফ্রে শোতে তাঁর ছবি থিংস উই লস্ট ইন দি ফায়ার প্রসঙ্গে আলাপ সূত্রে
বেরি বলেন, এ ছবিতে অভিনয় করতে গিয়ে মা হওয়ার ব্যাপারে তিনি প্রত্যয়ী হন। তিনি
বলেছিলেন, এ ছবিতে প্রতিদিন মায়ের ভূমিকায় অভিনয় করতে গিয়ে আমি উপলব্ধি করতে পেরেছি
যে, আমার অবশ্যই মা হওয়া উচিত।
মনস্টার বল ছবিতে এক শ্বেতকায় কারা প্রহরীর প্রেমিকার ভূমিকায় অনবদ্য অভিনয়ের জন্য
২০০২ সালে অস্কা পান বেরি। ইনট্রোডিউসিং ডরোথি ডেনড্রিজ মুভিতে অভিনয়ের জন্য এমি ও
গোল্ডেন গ্লোব পুরস্কারও পান তিনি। তিন বছর সংসার করার পর ২০০৩ সালে দ্বিতীয় স্বামী
গায়ক এরিক বেনেটের সঙ্গে বিচ্ছেদ হয় বেরির। সন্তান নিলেও গেব্রিয়েলের সঙ্গে বিয়ের
কোনো পরিকল্পনা নেই বেরির।
|
|
 |
 |
| |
|
 |
| |
 |
 |
 |
 |
 |
 |
 |
|