New Page 1

    |   Make your Homepage   |

     ::  Service Info  ::  Buy & Sell  ::  E-Greetings  ::  Deshmail ::

  Updated 2:00 pm (BST) Sat, Mar 20, 2010 

Home | News | Business | Sports | Cricket | Lifestyle | Gadgets | Music | Food  

 :. Welcome

::  India says no firing along Bangladesh border ::      ::  Hasina seeks Chinese aid for Deep Seaport, Ctg-Kunming road link ::      ::  Dhaka-Delhi ink agreed minutes for interim Teesta accord ::      ::  BTRC shuts down RanksTel for involvement in illegal VoIP ::      ::  Maudud questions govt inaction over slow poisoning of Hasina ::      ::  Waterways get its usual bustling life back ::      ::  Govt to build 11,268 flats with modern amenities at Mirpur for mid-income people ::      ::  WB to help overcome 2,000 mw power shortfall in 3 years ::      ::  China pledges preferential tariff treatment to Bangladeshi products ::      ::  Bangladeshi water resources minister meets Indian PM in Delhi ::      ::  Hasina invites Chinese leaders Hu Jintao, Wen Jiabao to visit Bangladesh ::      

Search www bdinfo
 

ডলস হাউসের
পুতুলগুলো

বিভিন্ন পেশার নয়জন নারীর যাপিতজীবন ও সামাজিক বাস্তবতা ঘিরেই ডলস হাউস  ডেইলিসোপের কাহিনীর আবর্তন। এরই মধ্যে দর্শকপ্রিয় এ ডেইলিসোপটি ডাবল সেঞ্চুরী অর্থাৎ দু’শ পর্ব পার করেছে। দর্শকপ্রিয়তার ঘ্রাণ গায়ে মেখেই দুই’শ পর্ব পার করল এটিএন বাংলায় প্রচারিত ডেইলিসোপটি।

গতানুগতিক প্রেম আর রোমান্সের কাহিনীকে পদদলিত করে এ ডেইলিসোপের গল্প খুঁজে পেয়েছে নারী জীবনচিত্রের নতুন ধারা। এ কারণেই অন্যান্য সিরিয়ালের ভিড় থেকে দর্শকরা সহজেই আলাদা করতে পেরেছেন ‘ডলস হাউস’কে। টেলিভিশন পর্দায় ডলস হাউসের প্রথম উপস্থিতি আসে চার বান্ধবীর কার্ড খেলার দৃশ্য নিয়ে।

আর এ চারজনের সবাই মধ্যবয়সী। খেলার চেয়ে আড্ডায় মেতে থাকতেই যেন তারা বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। আবার ক্ষণে ক্ষণে সেই অড্ডার রংও বদলায় এই রোদ এই বৃষ্টির মতোই। কখনো বাড়ির সদস্যদের কথা, কখনো কোনো মুভির কথা, আবার কখনো বা অনাবশ্যক তর্কের মেলায় নিজেদের জড়িয়ে নেন তারা।

এরপর একে একে চার বন্ধবীর খেলার সূত্র ধরেই গল্পের ভেতরকার গল্পে প্রবেশ করা। একে একে অনুপ্রবেশ আরো পাঁচ বান্ধবীর। সবমিলিয়ে ‘ডলস হাউস’ হলো ন’জন নারীর সুখের আনন্দ ও দুঃখ নদীর কান্না, এবং সংগ্রামের স্বচ্ছ দলিল।

শুধু নির্ভেজাল আড্ডা, স্বপ্নের আকাশে ডানা মেলা, সংসার আর প্রাত্যহিক দায়িত্ব পালন ছাড়াও যে একজন নারীর নিজস্ব একটা জগত আছে, তার নিজস্ব চিন্তা-চেতনা, খোলা আছে তার ভাবনার দুয়ার, সেই গল্পই প্রকাশিত হয় ‘ডলস হাউস’-এর মধ্য দিয়ে।

এই ৯ নারী প্রতিনিধিত্ব করছেন দেশের লাখো নারীর। ডলস হাউসের দু’শ পর্ব পেরোনো নিয়ে তার অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে এর পরিচালক আফসানা মিমি বলেন, ‘সত্যি বলতে কী, অনুভূতিটা মুখে বোঝানো যাবে না। তবে এটুকু বলতে পারি, খুবই ভাল লাগছে। আর এ ভাললাগাটা একটু অন্যরকম।’

ডলস হাউস-এর আগামীর পরিকল্পনার কথা নিয়ে আফসানা মিমি আরো বলেন, ‘পাঁচ’শ পর্বে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ইচ্ছে আমাদের রয়েছে। সেই লক্ষে গল্পের গতিপথ ঠিক করেছি।’ দেশীয় ডেইলিসোপ বা মেগা সিরিয়ালের ক্ষেত্রে দেখা গেছে একশ-দু’শ পর্বের পর কাহিনী সমান্তরালভাবে এগোয় না।

ডলস হাউস-এর ক্ষেত্রে তেমনটি ঘটবে কিনা জানতে চাইলে আফসানা মিমি বলেন, ‘এ ডেইলিসোপের কাহিনীর দৈর্ঘ্য বাড়লেও নাটক তার মূল জায়গা থেকে সরে যাবে না। দিনকে দিন এর গল্প আরো সমৃদ্ধ হচ্ছে। আমি মনে করি, নাটকের মূল যে ৯ নারীর চরিত্র, তাদের নিয়ে বছরের পথ পাড়ি দিলেও গল্পের শেষ হবে না।

ডলস হাউস  যেমন একদিকে কিছু ব্যক্তি আর পরিবারের গল্প, তেমনি এটি সমসাময়িক সমাজেরও গল্প। সামাজিক বাস্তবতাকে ঘিরেই এর কাহিনীর আবর্তন। তাই এতে দর্শকরা যা দেখেছেন, আগামীতে যা দেখবেন তা সমসাময়িক ঘটনারই বিস্তার বলে মনে হবে।

নাটকটি নিয়ে নিয়মিত দর্শকরা তাদের ভাললাগার কথা জানান। আর এতে বুঝতে পেরেছি যে, এটি তারা নিয়মিত দেখছেন।’ আপনার কী মনে হয় নাটকের চরিত্রগুলো কাহিনী অনুযায়ী পর্দায় ফুটিয়ে তুলতে পেরেছেন? এমন প্রশ্নের জবাবে অফসানা মিমি জানান, ‘পরিপূর্ণভাবে তুলে ধরতে পেরেছি বললে ভুল হবে।

তবে কখনো এমনটি হয়েছে যে, একটি চরিত্রকে আরো সুন্দরভাবে তুলে ধরার চেষ্টা করেও তা পারিনি। আবার যেটা নিয়ে খুব বেশি ভাবিনি তা অনেক সুন্দরভাবে উপস্থাপন করা হয়ে গেছে।’ এ ডেইলিসোপের অন্যতম প্রধান অভিনেত্রী সুবর্ণা মুস্তাফা বলেন, ‘ডলস হাউস’ মাইলস্টোনের মতো দু’শ পর্ব পেরিয়ে গেল।

আমরা শুধু ৯ জনই নয়, যারাই এতে কাজ করেছেন, সবার সিনসিয়ারিটির কারণেই এটা সম্ভব হয়েছে। আমরা সবাই ১২টায় কল থাকলে সাড়ে দশটায় শুটিংস্পটে হাজির হই। ডলস হাউস-এর দর্শকপ্রিয়তার গল্প নিয়ে সুবর্ণা মুস্তাফা আরো বলেন, ‘ডলস হাউস  চলাকালীন আমি আমেরিকায় গিয়েছিলাম।

আমি জেনেছি সেখানে ডলস হাউস  নিয়মিত দেখেন দর্শকরা। কেউ কেউ পর্বগুলো ডাউনলোড করে নেয়।’ শুটিংয়ের মজার অভিজ্ঞতা নিয়ে সুবর্ণা মুস্তাফা জানালেন, ‘ডলস হাউস-এর প্রথম দিনের শুটিং-এ আমার সঙ্গে তাস খেলেছে ত্রপা মজুমদার, মিতা চৌধুরী, ওয়াহিদা মল্লিক জলি ও ফারহানা মিঠু।

এরা কেউ আসলে তাস খেলতে জানে না। আমি এপার স্ক্রিপ্টে তাসের ছবি এঁকে নাম লিখে দিয়েছিলাম। বলেছিলাম এগুলো মুখস্থ করতে।’ এ নাটকে কাজের ভিন্নরকম একটি অভিজ্ঞতার কথা এভাবেই বললেন ওয়াহিদা মল্লিক জলি, ‘এতে কাজের বড় সুবিধা হচ্ছে শুটিংয়ের আগেই আমরা পুরো স্ক্রিপ্ট পেয়ে যাই।

আমরা গল্পের মাঝেই বসবাস করি। আমি জানি আমার চরিত্রের বর্তমান ও ভবিষ্যত। ফলে সত্যিকার অভিনয়টা সহজে বের হয়ে আসে।’ ওয়াহিদা মল্লিক জলির সুরে সুর মিলিয়ে বন্যা মির্জা বলেন, ‘বেশিরভাগ নাটকেই পুরো স্ক্রিপ্ট আমরা পাইনা। যার ফলে চরিত্রের পরের অবস্থা কি হবে তা অজানা থেকে যায়।

কিন্তু এ নাটকের স্ক্রিপ্ট আগে পেয়ে যাই বলে ঐ ধরনের কোনো কনফিউশন নিয়ে সেটে আসতে হয়না। এতে কাজের পূর্বে রিহার্সেল করে আমরা সেটে আসি। সংলাপ মুখস্থ করার রীতি এখন প্রায়ই উঠে গেছে। এক্ষেত্রে ডলস হাউস-এ আমরা সংলাপ মুখস্থ করেই কাজ করি।’

এ নাটকের আরেক পরিচালক বদরুল আনাম সৌদ নির্মাণের নেপথ্য গল্প নিয়ে বলেন, ‘আমরা শুরু থেকেই জানতাম এটা ৫০০ পর্ব পর্যন্ত যাবে। আমার ধারণা ছিল ডিরেক্টর হিসেবে অনেস্টলি টিকতে পারি ১০০ এপিসোড-এ। এতো শিল্পী নিয়ে শুট করা শুরু করলাম, প্রতিটি লটের শুটিং শেষে দেখলাম অনেক পর্ব হয়ে গেছে। এভাবে কখন যে দু’শ পর্ব হয়ে গেল টেরই পেলাম না। এ পর্যন্ত আমাদের ২৩৫ পর্ব শুট করা আছে।