New Page 1

    |   Make your Homepage   |

     ::  Service Info  ::  Buy & Sell  ::  E-Greetings  ::  Deshmail ::

  : Updated 2:30 pm (BST), Fri, July 03, 2009 

Home | News | Business | Sports | Cricket | Lifestyle | Gadgets | Music | Food  

 :. Welcome

::  Geeteara family arrested in house grab case ::      ::  Govt mulls Tk 10,000cr mega fund for power sector ::      ::  Big budget and big govt borrowing from banks! ::      ::  JMB dissidents launch new outfit ::      ::  Non-student JCD committee triggers protest at DU ::      ::  Discord in cabinet over Indian envoy breaching diplomatic etiquette ::      ::  HC brands Nazmul Huda, Quamruzzaman wrongheaded, worthless ::      ::  GP gets SEC nod for its IPO launch ::      

Search www bdinfo
 

বিয়ে না করেও জুটি

হলিউডে দিন দিন অবিবাহিত তারকা দম্পতির সংখ্যা বাড়ছে। নামী-দামী তারকা থেকে শুরু করে অখ্যাতরাও বিয়ে-পূর্ব সংসারে অভ্যস্ত হয়ে উঠছেন। পাশ্চাত্যের নতুন এই ট্রেন্ডের কথাই জানানো হলো এই প্রতিবেদনে।

যায় দিন ভাল, আসে দিন খারাপ। মুরুব্বীরা হলে তাই বলতেন। আগে পাশ্চাত্যের তারকারা কথায় কথায় বিয়ে ভাঙতেন। এ নিয়ে কাগজে কাগজে মুখরোচক কাহিনী লেখা হতো। তারকারা ভাবলেন- ধ্যেত, শালা ছাদনাতলায়ই আর যাবো না। কবুল বলা নিয়ে যখন এতো কথা, তখন আর বিয়েই করবো না।

ভাবছেন, বিয়ের পিঁড়ি ছেড়ে তারকারা বৃন্দাবনগামী হলেন না-কি! নাহ্, সেরকমটি ঘটার দূরতম সম্ভাবনাও নেই। বিড়াল কাঁটা ছোঁবে না, সেও কি হয়? তারকারা দলে দলে বিয়ে ছাড়ছেন সত্যি, কিন্তু দাম্পত্য জীবন থোড়াই ছাড়ছেন।

বিয়েবিহীন (তথা লাইসেন্সবিহীন) অবস্থায়ই চলছে এক দল তারকার সুখী দাম্পত্য। এখানে হলে ছিঃ ছিঃ পড়ে যেতো, সাত সাগরের ওপারে বলে ধুয়ো দেবার কেউ নেই। ‘আমার জীবন, আমার সিদ্ধান্ত’-ই সেখানে চূড়ান্ত। আর কে না জানে সমাজের পুরনো রীতি-নীতি ভাঙতে যারা ওস্তাদ, তাদের মধ্যে তারকাদের স্থানটা সবার উপরে।

সমাজের চোখে তারকারা আজ যে ‘অনিয়ম’ করছেন, হয়তোবা কাল তাই হবে সমাজের বিধান। নিয়ম-অনিয়ম আর বোধ-মূল্যবোধের বিতর্কে না জড়িয়ে আসুন বরং জানি সেই সব তারকাদের, চার্চের পথ না মাড়িয়ে যারা ‘দম্পতি’, সাতপাঁক না ঘুরেও যারা পালন করছেন পরম ‘সংসারধর্ম’।

একথা শুনলে অনেকের মাথায়ই আকাশ ভেঙে পড়তে পারে। ছয় ছয়টা সন্তানের মা-বাবা অথচ এখনও তারা বিয়েই করেননি। হ্যাঁ জনাব, অ্যাঞ্জেলিনা জোলি আর ব্র্যাড পীট আজ অবদি বিয়ে করেননি। এই যে কিছুদিন আগে গোটা বিশ্বকে জানান দিয়ে যমজ সন্তান হল তা কিন্তু পীট-জোলির বিবাহ-পূর্ব প্রেমেরই ফসল।

তাদের বাকী চার সন্তানের একটি তাদের ‘বায়োলজিক্যাল চাইল্ড’, আর তিনটাই দত্তক। এই ঘর-ভর্তি সন্তান-সন্ততি থাকার পরও বিয়ের কথা ভাবছেন না জোলি-পিট। তারা না-কি বিয়ে না করেও নিজেদের ‘বিবাহিত’ অনুভব করছেন। সত্যি প্রশংসনীয় এমন অনুভূতি-শক্তি।

জোলি-পিট জুটির মতো বিয়ের কথা ভাবছেন না ডাকসাইটে অভিনেত্রী হ্যালি ব্যারি আর মডেল গ্যাব্রিয়েল অঁরি। আর ভাববেনই বা কীভাবে। ইতোমধ্যে দু-দু’টো বিবাহ-বিচ্ছেদের অভিজ্ঞতা হজম করেছেন হ্যালি ব্যারি। তাই ওই কন্টকাকীর্ণ পথে আর হাঁটতে চাইছেন না তিনি।

তার আগেই এ বছরের ষোলই মার্চ তিনি পৃথিবীর আলোতে এনেছেন মেয়ে নাহলেকে। একই কান্ড করেছেন পপ গায়িকা ব্রিটনি স্পিয়ার্সের ছোট বোন জেমি লিন স্পিয়ার্স। মাত্র সতেরো বছর বয়সে এক কন্যা সন্তানের জন্ম দিয়ে ফেলেছেন।

সন্তানের জনক ক্যাসি অ্যালব্রিজ। বিয়ে-ফিয়ের ঝামেলায় যাননি এই জুটি। জেমি হয়তো ভেবেছেন ফ্যাডারলাইনের সঙ্গে বিয়ে ভেঙে যে ফ্যাসাদে পড়েছেন দিদি, একই ঝামেলায় যদি তিনিও পড়েন। তার চেয়ে বিয়ে না করে মেয়ের মা হওয়া অনেক ভাল।

ঠিক এমনটিই ভেবেছেন পর্ণো অভিনেত্রী জেনা জেমিসন। তার কথায়, ‘আমি অ্যাঞ্জেলিনা জোলির পদাঙ্ক অনুসরণ করছি। আমি বিয়ে-শাদী করবো না। তবে কিছুদিনের মধ্যে বাচ্চা নেবো।’ কী স্ট্রেইট-ফরোয়ার্ডরে বাবা। একটু কী বুক কাঁপে না?

জেনা জেমিসন গোল্লায় যাক, আসুন দেখি বিয়ে না করেও মা-বাবা হয়েছেন আর কে কে। অবিবাহিত দম্পতিদের তালিকার বেশ উপরিভাগে আছেন গোল্ডি হল ও কার্ট রাসেল। দশকেরও বেশি সময় ধরে এক ছাদের নীচে বসবাস করলেও বিয়ের নামটি মুখে আনছেন না তারা।

কারণ দু’জন অতীতে একাধিকবার বিবাহ নামক তিক্ত অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হয়েছেন। জানেন তো, ন্যাড়া দু’বার বেল তলায় যায় না। একই অবস্থা ক্যামিলা এলভিস আর মেথিউ ম্যাককনির। খুব শীঘ্রই তারা মা-বাবা হওয়ার প্রত্যাশা করছেন। কিন্তু বিয়ের ব্যাপারে দু’জনের কেউ-ই মুখ খুলছেন না।

দু’বছর চুটিয়ে প্রেম করেছেন লিভ শ্রেইবার আর নাওমি ওয়াটস। তারপর এক ছেলের মা-বাবাও হয়েছেন। লোকে ভাবলো এবার বুঝি বিয়ের ঘন্টা বাজলো। শত্রুর মুখে ছাই দিয়ে কলুপ এঁটে বসে রইলেন লিভ-নাওমি। আরো বারো মাস চলে গেলো।
 
তবু বিয়ের নামটি মুখে নেই তাদের। ওয়াবার্গ আবার একটু অন্য ধাতুতে গড়া। তিনি জানিয়েছেন তার দুই সন্তানের মা রিয়া ডারহ্যামকে অবশ্যই বধূ করে ঘরে আনবেন। সেই সঙ্গে একটা লেজুড় জুড়ে দিয়েছেন। তৃতীয় সন্তানের জন্মের পরই কেবল তিনি বিয়ের আসরে বসবেন, তার আগে নয়।

তা কবে তাদের বিয়ের ঘন্টাধ্বনি নিয়ে আর্বিভুত হবে এই প্রতীক্ষার সন্তান? জানা গেছে তার জন্য অপো করতে হবে সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত। এবার তারকাদের বিয়েহীন সংসারের ‘কুপথ’ যে বা যারা দেখিয়েছিলেন সেই টিম রবিন্স আর সুসান সারান্ডন দম্পতির কথা।

১৯৮৮ সালে ‘বুল ডারহ্যাম’ ছবিটি করতে গিয়েই তাদের মধ্যে সখ্যতা গড়ে উঠে। বিলিভ ইট আর নট, গত বিশ বছর ধরে তারা এক সঙ্গে বসবাস করছেন। কিন্তু তাদের মধ্যে কোন বৈবাহিক সম্পর্ক নেই। অবশ্য তাদের ঘরে এখন তাদের প্রেমের স্মারক ঠিকই আছে।

১৯ বছরের জ্যাক আর ১৬ বছরের মাইলস- এই দুই সন্তানই তাদের সম্পর্কের বুনিয়াদ হয়ে আছে। সবশেষ হিথ লেজারের গল্প। ‘ব্রোকব্যাক মাউন্টেইন’ ছবিতে কাজ করতে গিয়ে তিনি প্রেমে পড়েন মিশেল উইলিয়ামসের। ২০০৫-এর নভেম্বরে তাদের এক ফুঁটফুঁটে মেয়ে হয়।

মেয়ের নাম রাখা হয় ম্যাটিল্ডা রোজ। তারপর খুব বেশিদিন একসঙ্গে থাকতে পারেননি হিথ লেজার-মিশেল উইলিয়ামস। ছাড়াছাড়ি হয়ে যায় তাদের মধ্যে। গত জানুয়ারিতে তো নশ্বর পৃথিবীর সঙ্গেই ছাড়াছাড়ি হয়ে গেল লিথ লেজারের। কে জানে, বেঁচে থাকলে মিশেলের সঙ্গে তার বিয়ে হতো কি-না!

অবিবাহিত দাম্পত্যের সুবিধা

* বিয়ে ভেঙে গেলে আইনী ঝামেলা অনেক। খোরপোষ, সন্তানের ভরণ-পোষণ, রয়েলটি, সম্পত্তির ভাগ-জোখ নানান ফ্যাসাদ। এক্ষেত্রে অবিবাহিত দাম্পত্য পূর্ণ নিরাপদ।
* একাধিক বিয়ে ভাঙনের মুখোমুখি হওয়ায় সামাজিকভাবে হেনস্তা হয়েছেন বহু তারকা। ডিভোর্সের ঘটনা ক্যারিয়ারে বিরূপ প্রভাব ফেলে বলে তারকারা অবিবাহিত দাম্পত্যকেই পছন্দ করছেন।
* খোলামেলা সম্পর্কের বড় সমস্যা অনিরাপদ গর্ভধারণ। যা এখন নিত্য নৈমিত্তিক। ঘটনা ধামাচাপা দিতে অনেক তারকাই শেষে অবিবাহিত দাম্পত্যের ঘোষণা দেন।

১৬ বছর পর পেনেলপ-বারদেমের বিয়ের চিন্তা


হলিউডের জনপ্রিয় জুটি স্পেনিশ পেনেলপ ক্রুজ ও জ্যাভিয়ের বারদেম। গত বছর উডি অ্যালেনের ‘ভিকি ক্রিস্টিয়ানা বার্সেলোনায়’ একসঙ্গে কাজ করার পর থেকে ডেটিং শুরু করেন তারা। ফলে বিষয়টি ধীরে ধীরে যে পরিণয়ের দিকেই এগোচ্ছে তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না!

পেনেলপের ঘনিষ্ঠ সূত্রমতে, ৩৯ বছর বয়স্ক অস্কার বিজয়ী বারদেম আগামী মাসে নির্ধারিত অবকাশে পেনেলপকে বিয়ের প্রস্তাব করতে যাচ্ছেন। সূত্রমতে, পেনেলপ ও বারদেম উভয়েই তাদের ভবিষ্যৎ, একই গাঁটছড়ায় বাঁধতে আগ্রহী।

পেনেলপের প্রতি অনুরাগ প্রকাশেই যেন সেপ্টেম্বরে বারদেম যুক্তরাজ্যে পাড়ি দিচ্ছেন। এখানে পেনেলপ (৩৪) মিউজিক্যাল ফিক নাইন-এ কাজ করবেন। উল্লেখ্য, এ জুটি গত বছর থেকে ডেটিং শুরু করেছেন, কিন্তু তারা পরস্পরকে চেনেন ১৬ বছর ধরে।
 

সবচেয়ে আবেদনময়ী
চার্লিজ থেরন

সম্প্রতি চালিত এক জরিপে হলিউডের সবচেয়ে আবেদনময়ী নারী হিসেবে উঠে এসেছে চার্লিজ থেরনের নাম। বিখ্যাত ভারতীয় ম্যাগাজিন ম্যাক্সিম এ জরিপ কার্যক্রমটি পরিচালনা করে। অবশ্য এর আগেও সবচেয়ে আবেদনময়ী নারী হিসেবে মনোনীত হয়েছিলেন সুন্দরী এ হলিউড তারকা।
 

গত বছর এসকোয়ার ম্যাগাজিন পরিচালিত এক জরিপেও লিভিং সেক্সিয়েস্ট ওমেন হিসেবে উঠে আসে থেরনের নাম।

ম্যাক্সিম পরিচালিত এবারের এ জরিপে বলিউড এবং হলিউডের সব আবেদনময়ী অভিনেত্রীকে বিবেচনায় আনা হয়। সবাইকে পেছনে ফেলে শীর্ষস্থানটি নিজের দখলে নিয়ে নেন মনস্টার ছবিতে অনবদ্য অভিনয় করে একাডেমি অ্যাওয়ার্ড অর্জনকারী থেরন।
 

নাম নিয়ে অখুশি জেসিকা আলবা

জনপ্রিয় হলিউড অভিনেত্রী জেসিকা আলবা যে সম্প্রতি তার নবাগত কন্যা সন্তানকে নিয়ে বিখ্যাত এন্টারটেইনমেন্ট ম্যাগাজিন ওকে!-র কভার হয়েছিলেন, এ কথা হয়তো অনেকেরই জানা।

আর সেই সঙ্গে সেই ম্যাগাজিনের ভেতরে ছাপা হয়েছিল তার হাজব্যান্ড ক্যাশ ওয়ারেনসহ তাদের তিনজনেরই ছবি। এ দম্পতি গত মাসে তাদের প্রথম সন্তান অনার ম্যারি ওয়ারেনকে পৃথিবীতে স্বাগত জানিয়েছেন।

জেসিকা আলবা তার বাচ্চার নাম রেখেছেন অনার, যার পুরো নাম অনার ম্যারি ওয়ারেন। তার একটি কারণ হলো তিনি তার নিজের নামটি নিয়ে ঠিক খুশি নন। তার নিজের নামটিকে তিনি খুব অমায়িক গোছের ভাবতেন।

এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমি সব সময়ই অস্বস্তিতে থাকতাম যে, আমার নাম জেসিকা। এটি আশির দশকের নাম।

আমি যে স্কুলে পড়তে গিয়েছিলাম, সেখানে শত শত জেসিকা ছিল। একটি ইউনিক নাম থাকাটা আসলে দারুণ একটি বিষয়। এটি নিজের পরিচয়ের একটি অংশ। সুতরাং বোঝা যাচ্ছে, নিজের নামের অতৃপ্তি তিনি তার বাচ্চার নাম দিয়ে ভালো মতোই পুষিয়ে দেয়ার চেষ্টা করেছেন।
 

আবার বড় পর্দায়
‘এক্স-ফাইলস’

সাড়া জাগানো টিভি সিরিজ ‘এক্স-ফাইলস’ আবার বড় পর্দায় এসেছে। গত ২৬ জুলাই বিশ্বব্যাপী মুক্তি পেয়েছে নয় বছর ধরে জনপ্রিয়তার শীর্ষে থাকা এ টিভি সিরিজটির দ্বিতীয় সিনেমা। টানা ৭ বছর অপেক্ষার পর দর্শক ছবিটি দেখতে পেলেন।

এ ছবির মাধ্যমে টিভি সিরিজ ‘এক্স-ফাইলস’-এর সমাপ্তি ঘটছে বলে জানিয়েছেন নির্মাতা ক্রিস কার্টার। ‘এক্স-ফাইলস’-এর এবারের ছবিতেও প্রধান দুই চরিত্র ফক্স মোল্ডার ও ডানা স্ক্যালি চরিত্রে অভিনয় করেছেন যথাক্রমে ডেভিড ডুকোভনি ও জিলিয়ান অ্যান্ডারসন।

‘এক্স-ফাইলস’ নিয়ে প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নির্মাণ করা হয় ১৯৯৮ সালে। এরপর এর সিক্যুয়েল নির্মাণ করার কথা ছিল ২০০১ সালে। শেষ পর্যন্ত সিক্যুয়েলটি নির্মিত হয়নি। অবশেষে ২০০৭ সালের শুরুর দিকে ছবির শুটিং শুরু হয়। ‘এক্স-ফাইলস’ ভক্তরাও দিন গুনতে থাকে রূপালি পর্দায় আবার রোমহর্ষক গল্প দেখতে।

অবশেষে গত ২৬ জুলাই মুক্তি পেয়েছে ছবিটি। এবারের ছবির নাম ‘এক্স-ফাইলস : আই ওয়ান্ট টু বিলিভ’। ছবিটি নিয়ে দারুণ আশাবাদী সংশ্লিষ্টরা। নির্মাতা বলেন, ‘আসলে ভক্তরাই আমাদের প্রত্যাশা বাড়িয়ে দিয়েছে। আমরা আশা করি তারা সিনেমা হলে গিয়ে ছবিটি দেখবে।’

ডেভিড ডুকোভনি বলেন, ‘জীবনে একটি ভালো কাজই যথেষ্ট-বুঝলাম। সেই কবে থেকে একটি চরিত্র নিয়ে আছি। দর্শকও বিরক্ত হচ্ছে না।’ জিলিয়ান অ্যান্ডারসন, ‘আমি উচ্ছসিত। এবার দর্শক আমাকে আরও আকর্ষণীয়ভাবে দেখতে পাবেন।’
 

ফিরে এলো মামি

সাত বছর পর বিশ্ব কাঁপানো ‘মামি’ ছবির তৃতীয় পর্ব ‘দ্য মামি : টম্ব অব দ্য ড্রাগন এম্পায়ার’ পর্দায় আসছে ১ আগষ্ট। দর্শকদের দাবীতো ছিলই, ‘মামি’র পুরো টিম চাইছিল আরো একটা পর্ব হোক। কিন্তু পরিচালক স্টিভেন সোমার্স সাহস সঞ্চারণ করে উঠতে পারছিলেন না।

আগের পর্বগুলোর চেয়ে যদি জমকালো না করা যায় তবে নির্ঘাত পতন। কিন্তু ঝুঁকি নিতে এক পায়ে খাড়া ইউনিভার্সাল পিকচার্স। ‘মামি’র প্রথম দু’টো ছবি বিশ্বজুড়ে যে ব্যবসা করেছে (৮৩০ মিলিয়ন ডলার) তাতে ইউনিভার্সালের আগ্রহের পারদ চরমে থাকাই স্বাভাবিক।

পরিচালক স্টিভেন সোমার্সকে সরিয়ে তারা নিয়ে এলেন ‘ফিস্ট এন্ড ফিউরিয়াস’ খ্যাত রব কোহেনকে। চিত্রনাট্য আগেই লিখে ফেলেছিলেন আলফ্রেড গগ এবং মাইলস মিলার। এবার ছবির শুটিং শুরু করার পালা। কিন্তু ক্যাস্টিং নিয়ে বেঁধে গেল ছোট্ট ঝামেলা।

ছবির প্রধান পুরুষ ও নারী চরিত্র রিক ও’কোনেল এবং ইভলিন কারনাহান কে করবেন। চিত্রনাট্য নিয়ে মতবিরোধ হওয়ায় রেচেল ওয়েইজ পিছিয়ে গেলেন। শোনা গেল ব্র্যান্ডন ফ্রেজারও রিক ও’কোনেল হতে চাইছেন না। শেষ পর্যন্ত ব্র্যান্ডন ফ্রেজার মত পাল্টান। আর অনেক সন্ধান করে ‘ইভলিন’ চরিত্রের জন্য পাওয়া যায় মারিয়া বোলোকে।

যদিও ব্র্যান্ডন ফ্রেজার রেচেল ওয়েইজ-এ স্ক্রিন কেমেস্ট্রি মিস করবেন ‘মামি’র পাড় ভক্তরা, কিন্তু ছবির নির্মাতা গোষ্ঠীও এই ক্ষতি পুষিয়ে নিতে চমকের পর চমক জমা করতে থাকেন ছবিতে। মামি’র তৃতীয় পর্ব ‘দ্য মামি : টম্ব অব দ্য ড্রাগন এম্পায়ার’-এর সবচেয়ে বড় চমক জেট লি’র মমি হয়ে আসা। এ পর্বের ভিলেন হয়ে দর্শকদের শ্বাসরোদ্ধ করবেন তিনিই।

‘মামি’র এই গল্পেও ছবির নির্মাতারা এনেছেন বড় ধরনের রদবদল। মমি বলতেই যেখানে ভেসে উঠতো বালুময় মিশরের ছবি এবার সেখানে দেখা যাবে চীনের পাহাড়ী অঞ্চল। ছবির পটভূমি চল্লিশের দশকের চীন। রিক ও’কোনেল এবং ইভলিন ও’কোনেলের ছেলে ১৮ বছরের তরুণ অ্যালেক্স ও’কোনেল (লুক ফোর্ড) মমির খোঁজে (জেট লি) হাজির হয় চীনের প্রথম সম্রাট অভিশপ্ত কুইন সি হুয়াংয়ের সমাধিতে।

ড্রাগন সম্রাট নামেই যিনি সমধিক পরিচিত। এক ডাইনির অভিশাপে অত্যাচারী শাসক ড্রাগন সম্রাট মমিতে পরিণত হয়েছিলেন। সেই সঙ্গে তার দশ হাজার সেনা হয়ে গিয়েছিলেন টেরাকোটার মূর্তি। এ্যালেক্স না বুঝে প্রাণ ফিরিয়ে আনে ড্রাগন সম্রাটের মমিতে। সেই সঙ্গে জাগিয়ে তোলেন তার দুর্ধর্ষ সেনাবাহিনীকেও।

ড্রাগন সম্রাট আবার প্রস্তুত হোন বিশ্বকে হাতের মুঠোয় নেয়ার জন্য। অ্যালেক্স তখন বিপদ বুঝে মা-বাবা’র শরণাপন্ন হোন। ড্রাগন সম্রাটকে দমন করতে এগিয়ে আসেন রিক এবং ইভলিন। তাদের সঙ্গী হয় ইভলিনের ভাই জোনাথন (জন হানাহ)। এই হচ্ছে এবারের গল্পের সারসংক্ষেপ। তিনজন তারকা প্রথমবারের মতো ‘মামি’ সিরিজে যুক্ত হয়েছেন- জেট লি, মারিয়া বেলো এবং মিশেল ইয়ো। সঙ্গে পরিচালক রব কোহেন।

কেমন হয়েছে নতুনদের এই সম্মেলন? জানা গেছে, পরিচালক রব কোহেন পাক্কা তিন মাস চীন এবং মন্ট্রিলে ছবির শুটিং করেছেন। দুই হাজার একুশটা শট নিয়েছেন ছবিটাকে নিখুঁত করার জন্য। পাঁচশো’রও বেশি স্টান্ট দৃশ্য নিয়েছেন দর্শকদের মন জয় করার জন্য। ইভলিন চরিত্রটাকে পরিপূর্ণভাবে ফুটিয়ে তুলতে সোর্ড ফাইট, মার্শাল আর্ট শিখেন মারিয়া বেলো। শখ ছিল অ্যাকশন ছবি করবেন। স্বপ্ন ফলাতে পরিশ্রম করেছেন মন লাগিয়ে।

অন্যদিকে মিশেল ইয়ো স্রেফ জেট লি’র সঙ্গে মার্শাল আর্ট লড়তে পারবেন বলে এ ছবিতে কাজ করতে রাজী হয়েছেন। স্বল্প পূরণের জন্য বিপদের সম্মুখীনও হয়েছিলেন। সবার প্রত্যাশা মিটবে তখনই যখন দর্শকরা ছবিটিকে বাহবা দেবেন। তার জন্য অপেক্ষা করতে হবে ১ আগস্ট পর্যন্ত। সেদিনই বিশ্বব্যাপী মুক্তি পাবে ১৭৫ মিলিয়ন ডলারের প্রতীক্ষিত ছবি ‘দ্য মামি : টম্ব অব দ্য ড্রাগন এম্পায়ার’।
 

ব্রিজিত বারদো’র
সাতকাহন

ফরাসি অভিনেত্রী, সাবেক সুপার মডেল, গায়িকা এবং পশুপ্রেমী ব্রিজিত বারদোকে নিয়ে খবরের শেষ নেই। ১৯৩৪ সালের ২৮শে সেপ্টেম্বর তিনি ফ্রান্সে জন্মগ্রহণ করেন। কিশোরী বয়স থেকেই তিনি চলচ্চিত্র জগৎকে তার রূপের বানে ভাসিয়ে দিয়েছেন। অসংখ্য পুরুষ তার পেছনে ঘুরেছেন। ঘটিয়েছেন নানা রসালো কাহিনী।

এখন তার বয়স ৭৩ বছর। এখনও সেলিব্রেটিদের নিয়ে কথা ওঠলেই তার নাম চলে আসে। এখনও তিনি হন সংবাদ শিরোনাম। সম্প্রতি তিনি সংবাদ শিরোনাম হয়েছিলেন একটু অন্য কারণে। তাকে প্যারিসের এক আদালত ২৩ হাজার ডলার জরিমানা করেছে। কারণ এখন তিনি পশুপ্রেমী। পশুর কল্যাণে কাজ করেন।

এজন্য ২০০৬ সালে ব্রিজিত বারদো তখনকার ফরাসি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী, বর্তমান প্রেসিডেন্ট নিকোলাস সারকোজিকে একখানা চিঠি লিখেছিলেন। তাতে মুসলমানরা যেভাবে পশু জবাই করে তা নিয়ে তিনি সমালোচনা করেছিলেন।
পশু জবাই করার আগে একটি পন্থা অবলম্বনের আহ্বান জানিয়েছিলেন ব্রিজিত বারদো।

এ নিয়ে আদালতে মামলা হয়। সেই মামলার রায় হয় মঙ্গলবার। তাতে ব্রিজিত বার্দোতকে দোষী সাব্যস্ত করে তাকে ওই জরিমানা করা হয়। ওইদিন আদালতে ব্রিজিত বার্দোত হাজির না হলেও তিনি একখানা কাগজে আদালতের কাছে পত্র লিখে পাঠান। তাতে বলেন, তিনি আগের অবস্থান থেকে সরে আসবেন না।

তার এ বক্তব্য নিয়ে এখনও ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা চলছে। অনেকে বলছেন, ব্রিজিত বারদো যৌবনে যেমন মিডিয়াকে মাতিয়ে রাখতেন এখনও একই কাজ করার চেষ্টা করছেন। তবে তা একটু ভিন্ন উপায়ে। ব্রিজিত বারদোকে যারা জানেন তারা তাকে সেক্সসিম্বল হিসেবে বেশি চিনে থাকেন। ব্রিজিত বারদো মাত্র ১৮ বছর বয়সে ১৯৫২ সালের ২১শে ডিসেম্বর চলচ্চিত্র পরিচালক রজার ভাদিমকে বিয়ে করেন কয়েক বছরের প্রেম করে।

তার আগে থেকে তিনি আলোচনায় থাকলেও ওই সময় আলোচনা ডালপালা বিস্তার করে। তবে ওই বিয়েতে সায় দিচ্ছিলেন না ব্রিজিতের মা-বাবা। এ কারণে রজার ভাদিম ধর্মান্তরিত হন। কিন্তু এত প্রেম-ভালবাসার বিয়ে টেকসই হয়নি। মাত্র পাঁচ বছর পরেই ভেঙে যায় তাদের বিয়ে। বিয়ে ভেঙে গেলেও তারা দু’জন ছিলেন বন্ধু এবং একে অন্যকে সহায়তা করেছেন। এসময় নানা কথা বলাবলি হয়েছিল।

তবে মজার ঘটনা হলো ফরাসি অভিনেত্রী স্টিফানি অড্রানের স্বামী এন্ড গড ক্রিয়েটেড উমেন ছবির সহঅভিনেতা জ্যাঁ রুইস ট্রিটিগন্যান্ট-এর সঙ্গেও তিনি প্রেম চালিয়ে যাচ্ছিলেন। তারা বিবাহ ছাড়াই একত্রে বসবাস করেছেন দুই বছর। ট্রিটিগন্যান্ট সামরিক বাহিনীতে চাকরি করতেন।

তিনি চাকরিতে চলে যাওয়ার পর সে সম্পর্ক আর টেকেনি। ব্রিজিত বারদো নতুন প্রেম গড়ে তোলেন মিউজিশিয়ান গিলবার্ট বিকডের সঙ্গে। সে সম্পর্কও শুরুর পর পরই শেষ হয়ে যায়। ১৯৫৮ সালের ৯ই ফেব্রুয়ারি লস অ্যানজেলেস টাইমস তার প্রথম পৃষ্ঠায় রিপোর্ট করে, ব্রিজিত বারদো তার ভগ্ন মানসিক অবস্থা থেকে সুস্থ হয়ে উঠছেন।

এর দুইদিন আগে জনসম্পর্ক বা প্রচার বিষয়ক ম্যানেজার তার সঙ্গে সম্পর্ক গড়তে রাজি না হওয়ায় ব্রিজিত ইতালিতে ঘুমের বড়ি খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। ১৯৫৯ সালের ১৮ই জুন ব্রিজিত বিয়ে করেন অভিনেতা জ্যাক চারিয়েরকে। তার ঔরসে ব্রিজিত একমাত্র ছেলে নিকোলাস জ্যাকস চ্যারিয়েরের মা হন। সে ১৯৬০ সালের ১১ই জানুয়ারির কথা। ব্রিজিত বারদোর কাছে ওই সন্তানসম্ভবা হওয়াটা ছিল অপ্রত্যাশিত।

তিনি প্রথমদিকে মনে করেছিলেন তার পেটে টিউমার। কিন্তু শেষ পর্যন্তু দেখা যায় তিনি অন্তঃসত্ত্বা। জ্যাক চ্যারিয়েরের সঙ্গে ১৯৬২ সালে বিচ্ছেদ ঘটে ব্রিজিতের। কিন্তু ছেলে নিকোলাস তার পিতার সংসারে লালিত পালিত হতে থাকেন। ব্রিজিত বারদোর আরেক স্বামী জার্মানির মিলিয়নিয়ার গান্টার স্যাচ। সর্বশেষ স্বামী বার্নার্ড ডি’ওরমাল এখনও তার সঙ্গে বন্ধনে আবদ্ধ আছেন।