| |
 |
আবার
এক্স-ফাইলস :
মলডার ও স্ক্যালির প্রত্যাবর্তন |
|
নব্বই দশকের
জনপ্রিয় টিভি সিরিজ এক্স-ফাইলসের কথা আপনাদের নিশ্চয় মনে আছে। এক সময়
বিটিভিতে রাতে শেডিউলেও এ থ্রিলারটি দেখানো হতো। এফবিআই এজেন্ট ফক্স
মলডার (ডেভিড ডুকোভনি) ও ডানা স্কালির (জিলিয়ান এন্ডারসন) সত্যানুসন্ধান
দর্শকদের রোমাঞ্চিত করেছিল।
যদিও সিরিজের ফাইনাল সেশনে এক্স-ফাইলস মূল থিম থেকে সরে গিয়েছিল। তবে
সুসংবাদ হচ্ছে বড় পর্দার এক্স ফাইলস ২ বেসিক থিমে ফিরে আসছে। এক্স-ফাইলস
সিরিজের ক্রিয়েটর, ছবির ডিরেক্টর ও কো-রাইটার ক্রিস কার্টার এপিকে
জানিয়েছেন, নতুন এক্স-ফাইলস সিকোয়েলটির নাম হবে দি এক্স-ফাইলস : আই
ওয়ান্ট টু বিলিভ। এক্স-ফাইলসের প্রথম ছবিটি ১০ বছর আগে মুক্তি পেয়েছিল।
যদিও ফিল্ম মেকার ছবির গল্পটি গোপন রেখেছেন তবুও এটা নিশ্চিত হওয়া গেছে,
ছবিটি এলিয়েন বা ইটি (এক্সট্রা টেরেস্ট্রিয়াল) হবে না। বিশ্বাস ও
বিজ্ঞানের দ্বন্দ্বই হবে ছবির বিষয়। এডিটিং টেবিলে থাকা দি এক্স-ফাইলস
: আই ওয়ান্ট টু বিলিভ 'টোয়েন্টিথ সেঞ্চুরি ফক্স'-এর ব্যানারে আগামী ২৫
জুলাই মুক্তি পাবে।
|
|
এক্স-মেন
আবার
থিয়েটারে |
 |
সবার প্রিয় এক্স-মেন স্টার হিউ
জ্যাকম্যান আবার ওলভেরাইন হয়ে আসছেন। একাডেমি উইনার সাউথ আফ্রিকান ডিরেক্টর
গেভিন হুড এক্স-মেন সিরিজের সিকোয়েল এক্স-মেন অরিজিন, ওলভেরাইন পরিচালনা
করেছেন। দি ডার্ক নাইট ও আয়রনম্যানের মতো এক্স-মেনও একটি কমিক বুক ভিত্তিক ছবি।
২০০০ সালে এক্স-মেন সিরিজের প্রথম ছবিটি মুক্তি পেয়েছিল, যা বিশ্বব্যাপী
রেকর্ড পরিমাণ ১.১ বিলিয়ন ডলার আয় করেছিল। সিরিজের পরের ছবিগুলো ব্যাপক বিজনেস
করেছে। প্রডিউসাররা তাই এক্স-মেনের সিকোয়েল বানাতে খুবই উৎসাহী ছিলেন। ছবিতে
ওলভেরাইন চরিত্রে অভিনয়ের ব্যাপারে হিউ জ্যাকম্যান বলেন, আজ সবার মতো আমিও
ওলভেরাইনের ভক্ত হয়ে গেছি।
তাই এ চরিত্রটিতে আবার অভিনয় করেছি। জ্যাকম্যান এ ছবিটির অ্যাসোসিয়েট
প্রডিউসারের দায়িত্বও পালন করেছেন। ১ মে রিলিজ পাচ্ছে এক্স-মেন অরিজিন,
ওলভেরাইন ছবিটি। জ্যাকম্যান জানিয়েছেন, এবারের এক্স-মেন ছবিটি আরো বেশি
ভায়োলেন্ট হবে।
 |
চলে গেলেন
এপিক হিরো
চার্লটন হেসটন |
হলিউডের অস্কারজয়ী অভিনেতা চার্লটন
হেসটন গত ৫ এপ্রিল মারা গেছেন। আলোচিত ও অস্কারবিজয়ী চলচ্চিত্র বেন হার-এর
নাম ভূমিকায় অভিনয় করে তিনি বিশ্বঅঙ্গনে জায়গা করে নেন। ইতিহাস ভিত্তিক
চলচ্চিত্রে তাঁর অবস্থান ছিল কিংবদন্তিতুল্য।
বেন হার-এর পাশাপাশি মোজেস চরিত্রে তিনি টেন কমান্ডমেন্টস ছবিতে অভিনয়
করেন। প্ল্যানেট অফ দি এপস ছবিতে কর্নেল জর্জ টেইলরের ভূমিকায় অভিনয় করে
তিনি ভিন্ন মাত্রা নিয়ে আসেন। আরো যেসব এপিক ছবিতে অভিনয় করেন সেগুলোর মধ্যে
উল্লেখযোগ্য হলো এল সিড, খার্তুম, ফিফটি ফাইভ ডেইজ অ্যাট পেকিং ইত্যাদি।
চলচ্চিত্রের পাশাপাশি মঞ্চেও তিনি সমান দক্ষতা দেখান। আলোচিত চরিত্র
ম্যাকবেথ, এ ম্যান ফর অল সিজনস-এ স্যার টমাস মোর, জুলিয়াস সিজার-এ
মার্ক এন্টনির ভূমিকায় অভিনয় করে মঞ্চে সাড়া ফেলেন তিনি। তাঁর প্রথম প্রফেশনাল
ছবি ডার্ক সিটি ।
পেশাগত জীবনে তিনি অসংখ্য ছবিতে অভিনয় করেছেন। এর মধ্যে আছে দ্য গ্রেটেস্ট
শো অন আর্থ, দি স্যাভেজ, দি ওমেগা ম্যান, দি কল অফ দি ওয়াইল্ড, এয়ারপোর্ট
নাইনটিন সেভেনটি ফাইভ, দ্য অ্যাওয়াকিং ইত্যাদি।
ছয় ফুট তিন ইঞ্চি লম্বা চার্লটন হেসটন ষাট বছরেরও বেশি সময় ধরে ক্যামেরার সামনে
কাজ করেছেন।
তিনি চলচ্চিত্র পরিচালনা ও লেখার কাজেও জড়িত ছিলেন। টিভিতেও তিনি অসংখ্য কাজ
করেছেন। তার অভিনীত ডাইনেস্টি সিরিজটি বাংলাদেশে বিটিভিতে প্রচারিত এবং ব্যাপক
জনপ্রিয় হয়। রাজনৈতিক অঙ্গনেও তিনি ছিলেন সরব।
আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ইলেকশনে জন এফ কেনেডিকে সমর্থন করে ক্যাম্পেইনে অংশ
নিয়েছেন তিনি। অভিনেতা মার্লোন ব্রান্ডোসহ অনেকের সঙ্গে তিনি বিভিন্ন সামাজিক
আন্দোলনে জড়িয়েছেন। আমেরিকানদের স্বাধীনভাবে অস্ত্র ব্যবহারের অধিকার আদায়ের
সংগঠন ন্যাশনাল রাইফেল অ্যাসোসিয়েশন এনআরএ-র প্রেসিডেন্ট ছিলেন দীর্ঘ সময়। এ
সময় অস্ত্র উচিয়ে তার একটি বিখ্যাত উক্তি ছিল, ফ্রম মাই কোল্ড, ডেড হ্যান্ড।
তিনি বিভিন্ন কারণে সমালোচিতও হয়েছেন। বিশেষ করে মাইকেল মুর তার বিখ্যাত
ডকুমেন্টারি বোলিং ফর কলাম্বাইন-এ চার্লটন হেসটনকে তুলোধুনো করেছেন। কৃষ্ণাঙ্গ
বিদ্বেষী ও সাম্প্রদায়িকতার জন্য তিনি খুবই সমালোচিত হয়েছেন বিভিন্ন সময়।
ভালো খারাপ সব মিলিয়ে ৮৩ বছরের বর্ণাঢ্য জীবন শেষে চার্লটন বিদায় নিলেন। শেষ
জীবনে স্মৃতি হারানো রোগ অ্যালঝেইমার্সে ভুগছিলেন তিনি। ৫ এপ্রিল বেভারলি
হিলসের বাড়িতে যখন এই এপিক হিরো মারা যান তখন তার পাশে ছিলেন ৬৪ বছর দাম্পত্য
জীবনের সঙ্গী স্ত্রী লিডিয়া।
|
মানব-দানবের
গল্প |
 |
|
বড়পর্দার হলিউড তখনো
আমাদের দেশে পরিচিতি পায়নি। এমনকি সে অর্থে জনপ্রিয়তা পায়নি টেলিভিশনও। তবে
এরই মাঝে আশির দশকের যে সীমিত সংখ্যক দর্শক বাংলাদেশ টেলিভিশনে প্রচারিত
ইংরেজি সিরিয়ালগুলো মন দিয়ে উপভোগ করতেন তাদের অবশ্যই মনে থাকবার কথা ‘দ্য
ইনক্রেডিবল হাল্ক’ এর কথা।
সিরিয়ালটি সে সময় দেশীয় দর্শকদের মাঝে এতোটাই জনপ্রিয়তা পেয়েছিল যে আমাদের
দেশে এ নিয়ে বিস্তর কৌতুকও হয়েছে। তবে ইনক্রেডিবল হাল্ক খ্যাত এই
‘টিভি-মনস্টার’ এর দৌরাত্ম যে আশির দশকে শুধু আমাদের দেশেই থাবা মেলেছিল
তা কিন্তু নয়।
বরং বিশ্বের প্রায় প্রতিটি দেশের টিভি-দর্শকই তাদের ছোটপর্দায় কোনো না কোনো
সময় উপভোগ করেছেন এই সিরিয়ালটি। পরবর্তীতে জনপ্রিয়তার এই ধারাবাহিকতাতেই
২০০৩ সালে ‘হাল্ক’ নামে প্রথম বড়পর্দায় এসেছিল এই জনপ্রিয় কমিক কাম টিভি
সিরিয়ালটি।
আর সে যাত্রায় যারা নতুন করে বড়পর্দার ইনক্রেডিবল হাল্ক এর প্রেমে
পড়েছিলেন এবার তারা আরো একবার উপভোগ করতে পারবেন এই মুভির সিক্যুয়েলটি।
‘দ্য ইনক্রেডিবল হাল্ক’ শিরোনামের এই অ্যাকশন, অ্যাডাপ্টেশন আর হালকা
রোমান্স নির্ভর চলচ্চিত্রটি এ বছরের ১৩ জুন আবারো নতুন আদলে মুক্তি পাচ্ছে
সারা বিশ্বের মুভি থিয়েটারগুলোতে। হলিউডে যেকোনো চলচ্চিত্রের সিক্যুয়েল
মানেই আগেরটিকে ছাড়িয়ে যাবার জন্য বিস্তর খাটাখাটুনি।
আর ছবির বিষয়টি যদি একই সাথে কোনো বিখ্যাত কমিক সিরিজ আর টিভি-সিরিজের
উপজীব্য হয় তাহলে তো কাহিনীর সাযুজ্য রাখতেই ঘাম ঝড়াতে হয় পরিচালক আর
স্ক্রিপ্ট রাইটারকে। যদিও এসব বিবেচনায় আপকামিং ‘দ্য ইনক্রেডিবল হাল্ক’
ছবিটিকে বলতে হবে এ সিরিজের সফলতম সংস্করণ। কারণ এডওয়ার্ড নর্টনের
স্ক্রিপ্ট আর লুইস লেটেরিয়ার এর পরিচালনায় এবারের চলচ্চিত্রটি যেকোনো
দর্শককেই দেবে একটি পূর্ণাঙ্গ গল্পের আমেজ।
আর দশটি সিক্যুয়েল ছবিতে যেখানে নতুন দর্শকদের জন্য কাহিনীর সূত্র উদ্ধার
করতেই গলদঘর্ম হতে হয়, সেখানে ‘দ্য ইনক্রেডিবল হাল্ক’ ছবিতে পরিচালক একটি
নতুন গল্প উপহার দিলেও তার শুরুটা করেছেন একেবারে হাল্ক এর জন্মের গোড়া
থেকেই।
এক দূর্ঘটনায় মানুষ থেকে দৈত্যাকৃতির হাল্কে পরিণত হওয়া ব্রুস ব্যানার এর
সাধারণ জীবনে ফিরে আসবার চেষ্টা আর তাকে ব্যবহার করে একদল মানুষের ফায়দা
লোটার চেষ্টা এবারের সিক্যুয়েলে উঠে এসেছে খানিকটা ভিন্ন আঙ্গিকেই।
সেই সাথে হাল্কের জীবনের দুর্ভোগ আর সেই দুর্ভোগ দেখে মানবিকতার টানে
প্রেমে পড়া এক তরুণীর (বেটি রস) গল্পও এবার রূপালী পর্দার দর্শকদের উপহার
দেবেন নর্টন-লুইস জুটি। ‘দ্য ইনক্রেডিবল হাল্ক’ ছবিটির শুটিং হয়েছে
কানাডার টরেন্টো, হ্যামিলটন, ওন্টারিও, ভ্যাঙ্কুভার, ব্রিটিশ কলাম্বিয়া এবং
আমেরিকার নিউইয়র্ক ও ব্রাজিলের রিও ডি জেনিরোতে।
অন্যদিকে হাল্কের স্পেশাল ইফেক্ট ও মূল চরিত্রের এনিমেশনে এবার পরিচালক
খানিকটা কঠোর ভূমিকাই নিয়েছেন। ফলে যারা হরর ছবির ভক্ত এবারের হাল্ক তাদের
কাছে খানিকটা ভয়াল রূপ নিয়েই বড় পর্দায় আসবে। |
| |
|
 |
হ্যারিপটারের
আরও
দুই ছবি |
|
জে কে রাউলিং রচিত বহুল আলোচিত
হ্যারিপটার সিরিজের সপ্তম ও শেষ বই ‘হ্যারিপটার অ্যান্ড ডেথলি হ্যালোজ’
নিয়ে দুটি চলচ্চিত্র নির্মাণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে হলিউডের নামি প্রযোজনা
প্রতিষ্ঠান ওয়ার্নার ব্রাদার্স। দুই পর্বের চলচ্চিত্রের প্রথম পর্ব
মুক্তি পাবে ২০১০ সালে। আর দ্বিতীয়টি ২০১১ সালে।
পটার সিরিজের ৫টি ছবি এর আগে তুমুল জনপ্রিয় হয়। বর্তমানে এ সিরিজের ষষ্ঠ
ছবির কাজ চলছে। শেষ বইটি প্রকাশ হয় গত বছরের জুলাই মাসে। প্রকাশের প্রথম
দশ দিনেই যুক্তরাষ্ট্রে বইটির ১ কোটি ২০ লাখ কপি বিক্রি হয়েছে। পাশাপাশি
ছবি, ডিভিডি, টি-শার্টও বিক্রি হয়েছে প্রচুর।
৭৫০ পৃষ্ঠার শেষ বইটিতে অনেক চমক আছে। এ পর্বে হ্যারি তার বাবা-মার
হত্যাকারী লর্ড ভল্টেমর্টের মুখোমুখি হয়। হ্যারির ভমিকায় অভিনয় করবেন ১৮
বছর বয়সী অভিনেতা ড্যানিয়েল রেডকিফ। এছাড়া অন্যান্য চরিত্রে এমা ওয়াটসন,
রুপার্ট গ্রিন্ট তো রয়েছেনই। ছবি দুটি পরিচালনা করবেন ডেভিড ইয়েটস।
|
|
|
 |
 |