New Page 1

    |   Make your Homepage   |

     ::  Service Info  ::  Buy & Sell  ::  E-Greetings  ::  Deshmail ::

  Updated 7:30 pm (BST) Sun, Mar 21, 2010 

Home | News | Business | Sports | Cricket | Lifestyle | Gadgets | Music | Food  

 :. Welcome

::  HC clears way for reclaiming Sitalakhya bank ::      ::  Outlaw killed in Kushtia shootout ::      ::  Devastating fire breaks out in Sundarbans ::      ::  Hasina returns after 5-day visit to China ::      ::  Hasina calls for direct road, rail links with China ::      ::  West Bengal may have blocked Teesta deal ::      ::  LGED prepares union level online digital mapping ::      ::  India says no firing along Bangladesh border ::      ::  PDB moves to sign contracts for 9 peaking plants in 15 months ::      ::  BTRC shuts down RanksTel for involvement in illegal VoIP ::      

Search www bdinfo
 

কিশোর কুমারকে
নিয়ে ছবি

সঙ্গীত ও অভিনয়-উভয় জগতেই সফল এমন ইন্ডিয়ান কোনো গায়ক ও অভিনেতার নাম বলতে গেলে সবার আগে চলে আসবে কিংবদন্তী কিশোর কুমারের নাম। এবার তার জীবনী নিয়ে তৈরি হচ্ছে ছবি। ছবিটির প্রডিউস করছে বর্তমান সময়ের বহুল আলোচিত ও সুপরিচিত প্রডাকশন হাউস ইউটিভি।

এর ডিরেকশনের দায়িত্ব পেয়েছেন সুজিত সিরকার। ছবিটির স্ক্রিপ্ট লিখছেন রেনসিল ডি’সিলভা, যিনি রাঙ্গ দে বাসন্তী  ছবির স্ক্রিপ্ট লিখে ভালো প্রশংসা পেয়েছেন। তার চতুর্থ স্ত্রী ও পুরনো দিনের অভিনেত্রী লীনা চন্দভারকার এবং ছেলে অমিত ও সুমিত ইউটিভিকে এই ছবিটি তৈরি করার অনুমতি দিয়েছেন।

কিশোর কুমার কেবল সফল একজন সঙ্গীতশিল্পী ও অভিনেতাই ছিলেন না, ছিলেন সফল একজন গীতিকার, কম্পোজার, প্রডিউসর, ডিরেক্টর, স্ক্রিনরাইটার এবং স্ক্রিপ্ট রাইটার। কিশোর কুমার চার সুন্দরী নারীকে বিয়ে করেছিলেন। তারা হলেন- রুমা দেবী, মধুবালা, যোগিতা বালি ও লীনা চন্দভারকার।

আর সেই কারণেই এ চরিত্রগুলোতে চারজন অভিনেত্রী অভিনয় করবেন। ১৯৫০ দশক থেকে ১৯৮০ দশকের মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত মোহাম্মদ রফি, মুকেশ ও তিনি ছিলেন শীর্ষ তিন বলিউড মেল প্লেব্যাক সিংগার। ১৯২৯ সালের ৪ আগস্ট ইন্ডিয়ার মধ্য প্রদেশের খান্ডালায় জন্মগ্রহণ করা এ শিল্পী মারা যান ১৯৮৭ সালের ১৩ অক্টোবর মুম্বাইতে।

উল্লেখ্য, ৪ আগস্ট লীনা চন্দভারকার কিশোর কুমারের ৭৯তম জন্মবার্ষিকীতে একটি ডেইলি নিউজপেপারকে জানান, এই মেগা প্রজেক্টের জন্য বাজেট ধরা হয়েছে ৫০ থেকে ৬০ কোটি রুপি। এছাড়া এই ছবিতে অমিত ও সুমিত দুজনেরই সাইন করার কথা রয়েছে।
 

আবার মঞ্চে শমী

   


ঢাকা থিয়েটারের ৩৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে সম্প্রতি জাতীয় নাট্যশালায় মঞ্চস্থ হলো নাটক ‘যৈবতী কন্যার মন’। এই নাটকের মাধ্যমে প্রায় সাত বছর পর শমী কায়সারকে আবার মঞ্চে দেখা গেল। নাটকটি রচনা করেছেন প্রয়াত সেলিম আল দীন এবং নির্দেশনা দিয়েছেন নাসিরউদ্দীন ইউসুফ বাচ্চু।

শমী কায়সারকে শেষবারের মতো মঞ্চে দেখা গেছে ২০০১ সালে। ‘যৈবতী কন্যার মন’ই ছিল মঞ্চে করা তার শেষ নাটক। দীর্ঘ বিরতির পর মঞ্চে কাজ করা সম্পর্কে তিনি বলেন ‘মঞ্চের জন্য সব সময় একটা অনুশোচনা কাজ করে আমার।

কিন্তু একটা সময় টিভি আর নিজের ব্যবসায় এত ব্যস্ত হয়ে পড়ি যে মঞ্চে মনোযোগী হয়ে কাজ করার সময় বের করতে পারিনি। তাই কাজ করাও হয়নি। দলের ৩৫ বছর পূর্তি আর শাশ্বত সত্যের সাহায্যের জন্য নিজের তাগিদেই আগে থেকে সময় বের করে নিয়েছি।

দুটি সাংস্কৃতিক নারীর গল্প নিয়ে নির্মিত এই নাটকের প্রথম অধ্যায় থাকবে একজন কন্ঠশিল্পীর কাহিনী। এই চরিত্রে অভিনয় করছেন শিমুল ইউসুফ, দ্বিতীয় অধ্যায় দেখা যাবে যাত্রাপালার অভিনেত্রী পরির জীবন কাহিনী।

এই চরিত্রে অভিনয় করছেন শমী কায়সার। নাটকটি সম্পর্কে নির্দেশক নাসির উদ্দীন ইউসুফ বলেন, ‘নাট্যাচার্য সেলিম আল দীনের সৃষ্টির আলোয় কেটে যাক জরা ব্যাধি ও মানুষের কষ্ট। শাশ্বত সত্যের পাশে আমরা’- এই শ্লোগান নিয়ে আমরা আমাদের দলের ৩৫ বছর পূর্তি উদযাপন করবো।

প্রদর্শনী থেকে প্রাপ্ত অর্থ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের মেধাবী ছাত্র শাশ্বত সত্যের চিকিৎসার জন্য দেয়া হবে। সে দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত।’

 

‘নৌকাডুবি’তে দুই বোন

   

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কালজয়ী উপন্যাস ‘নৌকাডুবি’ নিয়ে নির্মিতব্য ছবিতে অভিনয় করছেন কিংবদন্তী সুচিত্রা সেনের দুই উত্তরসুরি রাইমা সেন ও রিয়া সেন। প্রথমবারের মতো দুই বোন একসঙ্গে অভিনয় করছেন এ ছবির মধ্য দিয়ে। এর চেয়ে অবাক করার বিষয় হল, তারা উভয়েই এখন বলিউডের হিন্দি ছবিতে অভিনয় নিয়ে ব্যস্ত থাকলেও দুই সহোদর এক সঙ্গে অভিনয় করছেন বাংলা ছবিতে।

টালিগঞ্জ থেকে নির্মিতব্য ‘নৌকাডুবি’ ছবিটি পরিচালনা করবেন ঋতুপর্ণ ঘোষ। এক দুর্ঘটনার মধ্য দিয়ে স্ত্রী বদলের কাহিনী নিয়ে নির্মিত এ চলচ্চিত্র প্রসঙ্গে ঋতুপর্ণ ঘোষ বলেন, ‘রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গল্প-উপন্যাস মানেই অমর সৃষ্টি। এর আগেও এ ছবিটি দু’বার নির্মিত হয়েছিল। তাই তৃতীয়বারের মতো একই কাহিনী নিয়ে ছবি নির্মাণ সত্যিই চ্যালেঞ্জিং।

তারপরও এ ছবি নিয়ে আমি আশাবাদী। রিয়া বলেন, ‘ভালো লাগছে প্রথম দুই বোন একসঙ্গে এক ছবিতে অভিনয় করতে পেরে।’ রাইমা বলেন, ‘ভালো লাগছে যে, কিংবদন্তি লেখকের উপন্যাসের চরিত্রের মধ্য দিয়ে আমরা দুইবোন একসঙ্গে দর্শকের সামনে আসছি।’

সময়ের তিন ‘ডিজে’

বর্তমান সময়ে ডিস্ক জকি বা ডিজে বেশ জনপ্রিয় একটি মাধ্যম। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের কাছে এর জনপ্রিয়তা আকাশচুম্বী। এ সময়ের জনপ্রিয় তিন ডিজে প্রিন্স, মিশু ও তন্ময়। তাদের সঙ্গে আড্ডার চুম্বক অংশ তুলে ধরা হলো।

গভীর রাত। একটি বাড়িতে লাউড স্পিকারে গান বাজছে। তবে ক্যাসেট প্লেয়ারে নয়, লাইভ। ছোটখাটো কনসার্টই বলা চলে। এটি একটি গায়ে হলুদের অনুষ্ঠানের চিত্র। তবে আজকাল কনসার্টের জায়গায় অন্য একটি জিনিস বেশ প্রচলিত হয়ে উঠেছে। পাঠক নিশ্চয়ই আঁচ করতে পেরেছেন কিসের কথা বলা হচ্ছে।

হ্যাঁ, এই মাধ্যমটির নাম ডিজে। বাংলাদেশে ডিজে কালচারের আগমন হয়েছে আশির দশকের একদম শুরুর দিকে। বহির্বিশ্বে ডিজে কালচারের জনপ্রিয়তা দেখে এদেশের গুটিকয়েক তরুণ এটিকে বাংলাদেশে পরিচিত করে তোলে। প্রথমদিকে ডিজে করা বা ডিজে পার্টিতে অংশগ্রহণ একদমই সীমাবদ্ধ ছিলো।

এখনও যে এটা তৃণমূল পর্যায়ের মানুষের কাছে পৌঁছেছে তা নয়। তবে একটি শ্রেণী, বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের অনেকেই ডিজে পছন্দ করে। বর্তমানের আধুনিক তরুণদের কাছে ডিজে এক জনপ্রিয় মাধ্যম। ডিজে অর্থ হলো ডিস্ক জকি বা যে ডিস্ক পরিচালনা করে। ডিজে, শ্রোতাদের আনন্দ দেয়ার একটি মাধ্যম।

একদিকে লাউড স্পিকারে চলে গান, আরেকদিকে শ্রোতারা নেচে গেয়ে ভেসে যায় আনন্দের সাগরে। এটাই ডিজে পার্টির মোক্ষম চিত্র। গান, তাও যেই-সেই গান নয়, নানা ধরনের আপ-বিট গানকে একটির সাথে আরেকটি ব্লেন্ড করে তৈরি হয় ট্র্যাক। একজন ডিজে যখন ডিস্ক প্লে করে তখন দর্শক-শ্রোতাদের আনন্দ দেয়াই থাকে তার মূল লক্ষ।

শ্রোতা-দর্শক নাচলেই তার সার্থকতা। ডিজে’র পুরো কর্মপ্রক্রিয়া খুব কঠিন নয়, আবার খুব সহজও নয়। প্রথমে ট্র্যাক সিলেকশন, এরপর কম্পোজিশন সবশেষে ডিস্ক প্লেয়িং। সবমিলিয়ে একজন ডিজে’র বেশ দ হতে হয়। এসব তথ্য জানা গেল আমাদের এবারের বাংলালিংক আড্ডায় উপস্থিত তিন ডিজে’র সাথে কথা বলে।

উপস্থিত তিন ডিজে হলেন ডিজে প্রিন্স, ডিজে মিশু ও ডিজে তন্ময়। তিনজনই বর্তমান সময়ের জনপ্রিয় ডিজে। ডিজে প্রিন্স ও ডিজে মিশু বাংলাদেশে ডিজে আন্দোলনের (পরিচিতি অর্থে) অন্যতম সদস্য। আর ডিজে তন্ময় চলতি জেনারেশনের সদস্য। এরা প্রত্যেকেই প্রত্যেকের জায়গায় প্রতিষ্ঠিত এবং সক্রিয়।

বাংলাদেশে ডিজে কালচারের আগমন ও পরিচিতি সম্পর্কে ডিজে প্রিন্স বলেন, ‘আমাদের দেশে ডিজে কালচার শুরু হয়েছে আনুমানিক ’৮১ সালের দিকে। তবে তখন ক্যাসেট প্লেয়ারে মিউজিক চালানো হতো। কোনো ডিস্ক ছিলো না। কারণ তখনো আমাদের দেশে সিডির প্রচলন শুরু হয়নি।

কেবল দর্শকদের নাচানোর জন্য ক্যাসেট প্লেয়ারে মিউজিক ছেড়ে দেয়া হতো। সেই বিচারে সেটাকে প্রোপার ডিজে বলা যাবে না। কিন্তু তারা এদেশে মাধ্যমটিকে পরিচিত করে তুলেছিলেন। ডিজে’র বর্তমান সমৃদ্ধির জন্য তাদের অবদান অনস্বীকার্য।’

ডিজে হয়ে ওঠার গল্প শুনতে চাইলে ডিজে প্রিন্স বলেন, ‘ছোটবেলা থেকেই মিউজিক কালেকশনের শখ ছিলো। সেই সাথে দেশের বাইরে যাওয়া-আসা ছিলো। মূলত বিদেশেই ডিজে’র প্রতি আকর্ষণ সৃষ্টি হয়। জানার আগ্রহ থেকেই মূলত ডিজে শেখা এবং করা। এটা ’৯৬ সালের কথা। তখন কেবলমাত্র সিডিতে ডিজে’র প্রচলন শুরু হয়েছে। ক্যাসেট থেকে সিডিতে বিবর্তনের সময় থেকেই আমি ডিজে শুরু করি।

একটি কথা বলে রাখা দরকার, আমি যখন শুরু করি তখন কিছুই জানতাম না। শুরু করার অনেক পরে আমি প্রোপার টেকনিক শিখেছি এবং শেখার পর বুঝতে পেরেছি এতোদিন যা করেছি তা ছিল ভুল। বর্তমানে এটা কোনোভাবেই করা উচিত নয়। প্রাথমিক অবস্থায় শেখাটা খুব জরুরি’।

এবার ডিজে মিশু শুরু করলেন তার ডিজে হয়ে ওঠার গল্প, ‘আমি মূলত ক্যাসেট প্লেয়ারে ডিজে করার শেষ সময়ে শুরু করি, ফ্যাশন শো’য়ের মাধ্যমে। বিভিন্ন ফ্যাশন শো’তে ডিজে করতাম। সেখান থেকেই মূলত আমার উঠে আসা। আজকের ডিজে প্রিন্স ছিলেন আমাদের অর্গানাইজার।

একটা কথা বলা খুব জরুরি বাংলাদেশে ডিজে’র কোনো আন্দোলন হলে সেটাতে প্রিন্স ভাই ছিলেন। ডিজে ফাংশনে উচ্চতর টেকনোলজি প্রিন্স ভাই পরিচিত করেছেন। কালেকশন সবারই ছিলো কিন্তু লেটেস্ট টেকনোলজি তার হাত ধরে এসেছে।

এই ডিজে ফাংশনের মধ্যে যে একটা আর্ট আছে, মাধুর্যতা আছে সেটা প্রিন্স ভাই বুঝিয়েছেন’। ডিজে তন্ময় বলেন, ‘আমি আসলে প্রিন্স ভাই, মিশু ভাই এদেরকে দেখেই এখানে এসেছি। প্রায়ই ডিজে পার্টিতে যেতাম। তাদের দেখে আমারও ইচ্ছা হতো ডিস্ক প্লে করার। সেই ভাললাগা আর আগ্রহ থেকেই শুরু করা’।

ডিজেরা একটি নির্দিষ্ট শ্রেণীর জন্য কাজ করে, আড্ডায় এই বিষয়টি তুলে ধরা হলে ডিজে প্রিন্স বলেন, ‘আমার মনে হয় বিষয়টি সত্য এবং যুক্তিযুক্ত। কারণ, আমাদের কাবিং শুরু হয় রাত এগারোটার পর। দেশের খুব কম সংখ্যক লোকই আছে যারা রাত এগারোটার পর বাড়ির বাইরে থাকে।

বিনোদনের জন্য রাত এগারোটার পর বাড়ির বাইরে কোনো কাবে যাওয়ার কালচার আমাদের দেশে প্রচলিত নয়। সেই দৃষ্টিকোণ থেকে অডিয়েন্সের শ্রেণীবদ্ধতার কথা যুক্তিযুক্ত’। ডিজে মিশু বলেন, ‘আসল বিষয় হলো দৃষ্টিভঙ্গি বা পছন্দ। একেকজন মানুষ একেক ধরনের মিউজিক পছন্দ করে।

ডিজে’ও একটি ভিন্ন স্টাইলের মিউজিক। এই মুহূর্তে যেহেতু বাংলাদেশে এটি বহুল পরিচিত নয়, তাই শ্রোতা-দর্শক শ্রেণীটিকে মুষ্টিমেয় মনে হয়। তবে এটি একসময় অবশ্যই তৃণমূল পর্যায়ের মানুষের জন্য কাজ করবে বলে আমার বিশ্বাস। তবে ডিজে ইন্ডাস্ট্রিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হলে মিউজিক ইন্ডাস্ট্রিকেও সমৃদ্ধ করতে হবে। কারণ আগে মিউজিক ইন্ডাস্ট্রি তারপর ডিজে ইন্ডাস্ট্রি।’

ডিজে’র স্টাইল হলো অনেকগুলো গানকে মিক্স করা। কিন্তু এই মিক্সিং করতে গিয়ে মূল গানের স্বকীয়তা নষ্ট হয়। এমন অভিযোগে আত্মপ সমর্থন করে ডিজে মিশু বলেন, ‘মিক্সিংয়ের কাজটি করে কম্পোজার। ডিজে শুধুমাত্র প্লে করে। তবে চেঞ্জিং বা মিক্সিংয়ের যে বিষয়টি প্রায়ই আমরা শুনি সেটা করা হয় ফিলিংসের জন্য।

একটা স্লো বিটের গানের সাথে একটা আপ-বিটের গান মিক্স করা হয় শ্রোতাদের আনন্দ দেয়ার জন্য। আর এই দোষে শুধুমাত্র ডিজেদের দোষারোপ করা উচিত নয় বলে আমি মনে করি। কারণ বর্তমান বাজারে অনেক মিক্স-রিমিক্স অ্যালবাম প্রকাশ হচ্ছে যেগুলো ডিজেরা করে না। আর আমরা যেটা করি সেটা নিতান্তই ডিজে স্টাইল। বরং আমার মনে হয় ডিজেরা যা করে তা একটা স্ট্যান্ডার্ড মেইনটেন করে।’

ডিজে হতে গেলে কী করতে হবে? এ জন্য কি প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার প্রয়োজন আছে। ডিজে প্রিন্স বললেন, ‘অবশ্যই আছে। সবকিছুর মতো ডিজে’ও একটি শেখার বিষয়। না শিখে করলে ফলাফল বিপরীত হতে পারে। তবে আমাদের দেশে ডিজে শেখার জন্য একটা ইন্সটিটিউট খুব প্রয়োজন।’