New Page 1

    |   Make your Homepage   |

     ::  Service Info  ::  Buy & Sell  ::  E-Greetings  ::  Deshmail ::

  Updated 7:30 pm (BST) Sun, Mar 21, 2010 

Home | News | Business | Sports | Cricket | Lifestyle | Gadgets | Music | Food  

 :. Welcome

::  HC clears way for reclaiming Sitalakhya bank ::      ::  Outlaw killed in Kushtia shootout ::      ::  Devastating fire breaks out in Sundarbans ::      ::  Hasina returns after 5-day visit to China ::      ::  Hasina calls for direct road, rail links with China ::      ::  West Bengal may have blocked Teesta deal ::      ::  LGED prepares union level online digital mapping ::      ::  India says no firing along Bangladesh border ::      ::  PDB moves to sign contracts for 9 peaking plants in 15 months ::      ::  BTRC shuts down RanksTel for involvement in illegal VoIP ::      

Search www bdinfo
 

 

অবোধ থেকে
আজা নাচলে

ইন্ডিয়ার হিন্দি ছবির ইতিহাসে সর্বকালের সেরা অভিনেত্রীদের তালিকায় একটি নাম চিরদিনই জ্বলজ্বল করবে। নামটি হলো মাধুরী দীক্ষিত। ১৯৬৫ সালের ১৫ মে ইন্ডিয়ার তৎকালীন বোম্বেতে (বর্তমানে মুম্বাই) জন্মগ্রহণ করা মাধুরী এ পর্যন্ত অভিনয় করেছেন ৬০টিরও বেশি ছবিতে।

তার অভিনীত প্রথম ছবি অবোধ (১৯৮৪) থেকে রিলিজ পাওয়া শেষ ছবি আজা নাচলে (২০০৭)-তে নিজের অভিনয় প্রতিভা দিয়ে মুগ্ধ করে রেখেছেন বিশ্বজুড়ে অগণিত ভক্তকে। এছাড়া ওয়াজুদ (১৯৯৮), দেবদাস (২০০২) ও আজা নাচলে (২০০৭)-তে প্লেব্যাকও করেছেন তিনি।

১৯৯৯ সালের ১৭ অক্টোবর অনেক জল্পনা-কল্পনা শেষে তার বিয়ে হয় ড. শ্রীরাম মাধবের সঙ্গে। সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছেন তার জীবনে প্রথম ঘটা কিছু স্মৃতির কথা।

প্রথম স্টেজ পারফরম্যান্স
আমার বয়স যখন সাড়ে তিন বছর, তখন আমি প্রথমবারের মতো স্টেজে পারফর্ম করি। এটি ছিল কত্থক নৃত্যের ছোট্ট একটি অংশ।

ওয়ার্ল্ড টুরের জন্য প্রথম রিহার্সাল
তখন ১৯৯১ সাল। আমি ওয়ার্ল্ড টুরে ছিলাম অনিল কাপুরের সঙ্গে... আর সেই ওয়ার্ল্ড টুরটি হয়েছিল আমাদের ছবি তেজাব ও রাম লক্ষণ বক্স অফিস হিট হওয়ার পর।

দেখা প্রথম ছবি যাতে অমিতাভ বচ্চন অভিনয় করেছিলেন
ছবির নাম অমর আকবর অ্যান্থনি, থিয়েটারে দেখেছিলাম। আমার হাজব্যান্ড হিন্দি ছবি তেমন একটা দেখে না। কিন্তু যখন আমি তার দেখা একমাত্র ছবিটি সম্পর্কে জানতে চেয়েছিলাম, তার উত্তর পেয়ে বেশ অবাক ও সারপ্রাইজড হয়েছিলাম। কাকতালীয়ভাবে সেটিও ছিল এই অমর আকবর অ্যান্থনি। এটি ছিল স্মরণীয় একটি মুহূর্ত যখন আমি এটি জেনেছিলাম।

প্রথম ক্যামেরার সামনে দাঁড়ানো
এটি ছিল আমার প্রথম ছবি অবোধ-এ। আমি জানতাম না যে, ক্যামেরা দেখতে কেমন বা একটি সেট দেখতে কেমন। শেষ না হওয়া পর্যন্ত আমি দেয়ালে খোঁচাচ্ছিলাম এবং পরে বুঝলাম যে এটি সেট। এর আগে আমার ক্যামেরা ও সেট সম্পর্কে কোনো ধারণা ছিল না।

প্রথম গানের শুটিং
প্রথম গানটি সেই অবোধ ছবিটিরই। প্রথম গানটি ছিল একটি ভজন। একটি মন্দিরে এর শুটিং হয়েছিল। আর সেটিই ছিল প্রথম গান, যেটিতে আমি শুটিং করেছিলাম।

প্রথম যেদিন সাধারণ মানুষ আপনাকে বিরক্ত করে
এটি ছিল আমার ছবি তেজাব-এর পরের ঘটনা। আমি ছিলাম মুম্বাই এয়ারপোর্টে এবং সেখানে কিছু তরুণ আমাকে দেখে শিস দিচ্ছিল আর আমি মোহিনী শব্দটি শুনতে পেরেছিলাম। তাদের একজন আমাকে জিজ্ঞাসা করেছিল, আপনি তেজাব ছবির মোহিনী, তাই না! আমি সেই কথাটা শুনে খুব এক্সাইটেড হয়েছিলাম।

ভক্তের প্রথম চিঠি
তেজাব ছবির পর আমি অনেক চিঠি পেয়েছি। আমি তাদের সাড়া পেয়ে অভিভূত। সেই সময়ই আমি প্রথম বুঝতে পারলাম যে, আমি পপুলার এবং আরো পপুলার হচ্ছি।
 

প্রেমিক পুরুষ

গুঞ্জনের শেষ নেই শহিদ কাপুরকে নিয়ে। আজ ‘বিদ্যা’ অর্জন করছেন তো কাল ‘সানিয়া’ ম্যানিয়ায় আক্রান্ত হচ্ছেন। সদ্য মুক্তিপ্রাপ্ত ছবি ‘কিসমত কানেকশন’ও ভাল চলছে। কম্বলকে ছাড়তে চাই, কম্বলতো ছাড়েনা। শহিদ কাপুরের এখনকার মনের ভাব অনুবাদ করতে গেলে অর্থটা তেমনই দাড়ায়।

এক কারিনা কাপুরের শোককে যখন শক্তিতে রূপান্তরিত করার জীবন-মরণ চেষ্টায় রত সাতাশ বছরের যুবকটি তখনই বিদ্যা বালানের প্রেমের হাতছানি। যেহেতু প্রেমের মরা জলে ডোবেনা, অতএব দাও আবার ঝাপ। আজিজ মির্জার ‘কিসমত কানেকশন’ করতে গিয়েই বিদ্যার সঙ্গে ভাল রকম বোঝাপড়া হয়ে যায় শহিদ কাপুরের। সাইফ-কারিনা যেখানেই যাচ্ছেন একজন আরেকজনের সঙ্গে আঁঠার মতো লেপ্টে থাকছেন।

বলিউডের তারকাদের মধ্যে ‘দেখিয়ে প্রেম’ করার বাতিক আছে। তো কেন আর পিছে পড়ে থাকবেন শহিদ। ‘কিসমত কানেকশনে’র শ্যুটিং স্পটে প্রকাশ্যেই বিদ্যার সাথে জমিয়ে তুললেন। উদ্দেশ্য এক ঢিলে দুই পাখি মারা। ঘটনা জানাজানি হলে জ্বালা ধরবে কারিনার বুকে। মুফতে ছবির প্রচারও হয়ে যাব।

বাস্তবে হলোও তাই। মিডিয়া এক প্রকার ঝাপিয়ে পড়লো ‘বিদ্যা-শহিদ’ এই নবগঠিত সম্পর্কের ময়না তদন্ত করতে। যথারীতি বিদ্যা ও শহিদ দু’জনই পরস্পরকে ‘পরম বন্ধু’ বলে দাবী করলেন। অস্বীকার করলেন তাদের প্রেমের সম্পর্কের কথা। শহিদের জন্য এটা নতুন কিছু নয়।

অমৃতা রাওয়ের সঙ্গে যখন তিনি ডুবে ডুবে জল খাচ্ছিলেন তখনও সব কিছু বেমালুম অস্বীকার করেছেন। মিডিয়া চেপে ধরলেই কারিনাকে বানিয়েছেন ‘জাস্ট ফ্রেন্ড’। ইন্টারনেটে শহিদ-কারিনার চুম্বন দৃশ্য প্রকাশিত হওয়ার পরই কেবল ঢোক গিলে সত্য হজম করেছেন। ভাবছিলেন বিদ্যার বেলায়ও এমনি করেই নাটাইয়ের সুতা ছাড়বেন।

কিন্তু তার আগেই শহিদের ঘুড়ি গোত্তা খেয়ে গেল টেনিসের মহাতারকা সানিয়া মির্জার কার্নিশে। একেই বলে কিসমত কানেকশন! একজনকে সামাল দিতেই হিমশিম খাচ্ছিলেন, এবার একসঙ্গে দু-দু’জন। আর যায় কোথায়। আরম্ভ হয়ে গেল মিডিয়ায় খোঁড়াখুঁড়ি। কোঁচো খুঁড়তে গিয়ে সাপ না বেরিয়ে এলেও জানা গেল এই ফলাফল- বিদ্যা আউট, সানিয়া ইন।

‘কিসমত কানেকশন’ রিলিজের পর এটা এখন জ্বলজ্বলে সত্য। লোকে বলাবলি করছে ছবির স্বার্থেই এক হয়েছিলেন বিদ্যা-শহিদ। ছবি সমাপ্ত, বক্স অফিসটাও হাতের মুঠোয়, অতএব এখানেই সম্পর্কের ইতি। কিন্তু সানিয়া আর শহিদ এই দুই মেরুর মানুষ কিভাবে একত্রিত হলেন তা অনেকেরই মাথায় ঢুকছে না।

আসলে ‘জাব উই মেট’ দেখার পর সানিয়া যেচে গিয়েই আলাপ করেছেন সুদর্শন শহিদের সঙ্গে। সানিয়াকে দেখলে জড় পদার্থেরও নাকি কম্পন অনুভূতি হয়। আর ইনিতো জ্বলজ্যান্ত শহিদ কাপুর। এভাবেই নাকি ব্যাটে-বলে বাউন্ডারি হয়ে গেছে।

আর প্রেম করতে তো শহিদের এই মুহূর্তে আপত্তি থাকার কথাই নয়। ক্যারিয়ারের সবচেয়ে সুন্দর সময়টাই এখন তিনি অতিক্রম করছেন। পর পর দুই বছরের দুইটা ব্লক বাস্টার তার ঝুলিতে। ‘বিবাহ’ এবং ‘জাব উই মেট’ শহিদ কাপুরের রাতের ঘুমকে করেছে নির্বিঘ্ন।

’০৩ সালে ‘ইশক ভিশক’ দিয়ে অভিষেক। তারপর টানা তিনটা বছর তাকে অপো করতে হয়েছে একটা সুপারহিট সিনেমার জন্য। ফিদা, দিল মাঙ্গে মোর, দিওয়ানা হুয়ে পাগল, বাহ্ লাইফ হো তো অ্যায়সা, শিকার, থার্টি সিক্স চায়না টাউন, চুপ চুপকে-একের পর এক অবিরাম ছবি করে গেছেন শহিদ।

সিংহভাগ ছবি গড়পরতা ব্যবসা করলেও বক্স অফিসে যুৎ করে বসতে পারছিলেন না শহিদ। মুখে মুখে অনেকে ‘ছোট শাহরুখ খান’ বললেও শহিদ ঠিকই বুঝতে পারছিলেন অন্তত: একটা ব্লক বাস্টার তার চাই-ই। নতুবা ‘মিস্টার কারিনা কাপুর’ হয়েই মুম্বাই টিনসেল টাউনে বাকী দিনগুলো গুজরান করতে হবে।

‘কিসমত’ আসলেই ভাল শহিদের। শহিদ-কারিনা দু’জনেই তখন হিট ছবির খরায়। শেষ পর্যন্ত আগেভাগে শহিদের খরাই কাটলো। ব্লক বাস্টার হলো তারকাবিহীন স্বল্প বাজেটের ছবি ‘বিবাহ’। তাও আবার যার নায়িকা তারকার দৌড় থেকে বিচ্ছিন্ন অমৃতা রাও।

ফলে কৃতিত্বের পুরোটাই পকেটস্থ করতে পারলেন শহিদ। কারিনা তাকিয়ে তাকিয়ে দেখলেন কিভাবে শহিদ-কারিনা পর্দা জুটির কফিনের উপর গড়ে উঠলো শহিদের সাফল্যের ভীত। তারপর তো বাস্তবের শহিদ-কারিনা জুটির কফিনে শেষ পেরেক ঠুকতে এগিয়ে এলেন ছোট নবাব।

আর ঠিক তখনই নবজন্ম হলো শহিদ-কারিনার। ’০৭ সালের সব ছবির সাফল্যকে মাড়িয়ে গেল ‘জাব উই মেট’। এই প্রথম দর্শক তাদের জুটিকে বড় পর্দায় পছন্দ করলো। ততোদিনে কারিনার তরী শহিদের ঘাট থেকে যোজন যোজন দূরে। সাইফের বাহুলগ্না হয়ে পেখম মেলে বেড়াচ্ছেন কারিনা।

ফিল্ম ফেয়ার অ্যাওয়ার্ড বিতরণী অনুষ্ঠানে দর্শক সারিতে বসে শহিদ স্থির চোখে দেখলেন সাইফ-কারিনার লজ্জা ছাড়া আলিঙ্গন। মনে মনে শহিদ তখন কী অংক কষেছিলেন কে জানে। সাইফ-কারিনার ‘তাশান-এর চরম ভরাডুবির পর সবাই তাকিয়েছিলেন প্রতিদ্বন্দ্বী জুটি বিদ্যা-শহিদের ‘কিসমত কানেকশন’-এর দিকে।

শেষ পর্যন্ত রেজাল্ট পজিটিভ। পর্দার বাইরে প্রেম যতোই ঘন হয়ে উঠুক, বক্স অফিসে ছবি কিক করতে না পারলে বাস্তবে জুটির অস্তিত্ব বিলীন হতে চব্বিশ ঘন্টাও লাগে না। অতীত এই কথারই সায় দেয়। কিন্তু সাফল্যের পরও জুটি ভেঙে যাওয়ার উদাহরণ তৈরি করলেন বিদ্যা-শহিদ। কারণটাও পরিষ্কার।

চোরা স্রোতের মতো এই সম্পর্কে যে ঢুকে গেছে সানিয়া মির্জার নামটি। নিশ্চিতভাবেই বল এখন শহিদের কোর্টে। শহিদও কম যান না। প্রেম এবং ক্যারিয়ার দুই মাঠেই পাকা খিলাড়ির মতো সমানতালে খেলছেন।

আগামী নভেম্বরে আসছে তার ছবি ‘পাঠশালা’, তারপর ‘মিলেঙ্গে মিলেঙ্গ’। নতুন কোন নারী এর মধ্যে তার জীবনে আসবে কিনা তা বলতে পারে ভবিতব্য। তবে এটুকু হলফ করে বলা যায় শহিদ কাপুর এখন বলিউডে একটা ফ্যাক্টর। শাহরুখ-সালমান-আমির চল্লিশ পেরিয়েছেন।

সঞ্জয় অক্ষয়-সাইফ প্রত্যেককেই নিয়মিত চুলে কলপ লাগাতে হচ্ছে। বিপরীতে হিন্দী ছবির অন্যতম সুদর্শন নায়ক শহিদ যৌবনের উত্তাপে টগবগ করে ফুটছেন। দীর্ঘদিন ধরে টপচার্টে ঝুলে থাকছে তার ছবি। অভিনয় ভাল করছেন, তার নাচটাও আজকাল লোকের নজর কাড়ছে। নাকে তেল দিয়ে এখন ঘুমালেই বা ক্ষতি কী। তারচেয়ে প্রেম করলে আরো ভাল। অবশ্য এই মুহূর্তে চুটিয়ে তাই করছেন শহিদ কাপুর।

কারিনা’র কষ্ট ভোলাতে

কারিনা কাপুরের কোন কষ্ট মোটেও মেনে নিতে পারেন না প্রেমিক সাইফ আলী খান। অনেক দিন প্রেমিকাকে ছেড়ে থাকতে হবে বলে তিনি অমিতাভ বচ্চন-শাহরুখ খানদের সঙ্গে কারিনার ওয়ার্ল্ড ট্যুরে যাওয়ার বিষয়ে আপত্তি জানিয়েছিলেন। আর সে আপত্তির কারণে কারিনাও শেষ পর্যন্ত ট্যুরে যাননি।

কিন্তু বিষয়টি নিয়ে মনোকষ্টে ভুগছিলেন তিনি। এটি টের পেয়ে যান সাইফ আলী খান। আর টের পেয়েই অস্থির হয়ে ওঠেন তিনি। কি করে প্রেমিকা কারিনার কষ্ট ভোলাবেন সে উপায় খুঁজতে থাকেন। এরই মধ্যে তার কাছে অফার আসে দুবাইতে একটি স্টেজশোতে পারফরমেন্সের।

বলিউডের মোরানি ব্রাদার্স এ শোটির আয়োজক। সাইফ আয়োজকদের সঙ্গে কথা বলেন কারিনাকেও শোতে নেয়ার ব্যাপারে। আয়োজকরা সাইফের সে কথা রাখেন। শেষ পর্যন্ত চূড়ান্ত হয় সাইফ-কারিনা দু’জনই একসঙ্গে পারফরমেন্স করবেন দুবাইর শোতে।

জানা গেছে, এ মাসেই অনুষ্ঠিত হবে এ শো। কারিনা কাপুর অবস্থান করছেন আমেরিকায়। সেখানে তিনি সাজিদ নাদিয়াদওলার ‘কমবখত ইসক’ ছবির শুটিং করছেন। কিন্তু এরপরও থেমে নেই দুবাইর শো’র জন্য রিহার্সেল। শুটিংয়ের ফাঁকে ফাঁকেই রিহার্সেল করছেন কারিনা। সঙ্গে রয়েছেন সাইফ আলী খানও।

কারণ তিনিও সেখানে অবস্থান করছেন প্রেমিকার সঙ্গে। সাইফ যদিও সবাইকে জানিয়েছেন যে, দুবাইর শো’র রিহার্সেল করার জন্যই তিনি এখন আমেরিকায় অবস্থান করছেন। কিন্তু ভিন্ন ধরনের কথাও শোনা গেছে এ নিয়ে। ‘কমবখত ইসক’ ছবিতে কারিনা অভিনয় করছেন হলিউড তারকা সিলভাস্টার স্ট্যালোনের সঙ্গে।

এ নিয়ে কারিনা খুব উৎফুল্ল। এ কারণে কখন কোন অঘটন ঘটে যায় ভেবে সাইফ কারিনার সঙ্গে আমেরিকায় অবস্থান করছেন। অঘটন না হলেও ছোট একটি ঘটনা অবশ্য ইতিমধ্যে কারিনা ঘটিয়েছেন সিলভাস্টার স্ট্যালোনের সঙ্গে। যা দেখে সাইফ শুধু মনে মনে জ্বলেছেন। কিন্তু কিছু বলতে পারেননি। ঘটনাটি হচ্ছে- ‘কমবখত ইসক’ ছবির প্রথম দিনের শুটিং শেষে কারিনা সিলভাস্টার স্ট্যালোনের চিবুকে চুমু দেন।

এনগেজমেন্ট হলো
 কঙ্কনা সেন শর্মার

ছবি পেজ থ্রি  দিয়ে লাইম লাইটে চলে আসা ভিন্ন ধাঁচের অভিনেত্রী কঙ্কনা সেন শর্মার অ্যাফেয়ার নিয়ে অন্য বলিউড স্টাররা হ্যাঁ হ্যাঁ করার বদলে না না করলেও কঙ্কনা তার অ্যাফেয়ারের বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে ছিলেন খুবই শান্ত ও মন্তব্যহীন। কিন্তু এ কথা বোঝা যাচ্ছিল যে, তারা একটি দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্কের দিকে এগোচ্ছে।

আর এখন সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে ঘরোয়া একটি আয়োজনে তাদের এনগেজমেন্টও হয়ে গেল। হ্যাঁ বলা হচ্ছে, আরেক অভিনেতা রনবীর সুরির কথা, যার সঙ্গে আংটি বন্ধনে আবদ্ধ হলেন কঙ্কনা। এনগেজমেন্টর আইডিয়াটি ছিল কঙ্কনার বোনের, যিনি সম্প্রতি আমেরিকা থেকে এসেছেন।

মুম্বাইয়ের গোরগাওয়ে কঙ্কনার নতুন অ্যাপার্টমেন্টে এ এনগেজমেন্ট প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত হয়। বলার অপেক্ষা রাখে না যে, এনগেজমেন্ট অনুষ্ঠানে কঙ্কনার মা অপর্ণা সেনও উপস্থিত ছিলেন। এনগেজমেন্ট সম্পন্ন হলেও কবে নাগাদ তাদের বিয়ে হবে, সে বিষয়ে অবশ্য এখনো কিছু জানা যায়নি। কিন্তু তাতে কি হয়েছে, সে কারণে তো আর তার জন্য কঙ্কনা ভক্তদের শুভকামনা করা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে না!

 

বিপাশা বসুর
নতুন স্বপ্ন

বলিউড অভিনেত্রী বিপাশা বসুর মনে নতুন একটি স্বপ্নের উদয় হয়েছে। তিনি এমন একটি বাড়ি বানাবার কথা চিন্তা করছেন, যা তিনি কেবল স্বপ্নেই ভেবে থাকেন। আর সেই স্বপ্ন পূরণ করার জন্য যে তাকে তার বর্তমান বাড়িটি ছাড়তে হবে, তা কিন্তু নয়।

কারণ, তার জন্য শুধু তাকে তার বর্তমান বাড়িটির টপ ফোরকে নতুন করে, তার মনের মতো করে সাজাতে হবে। বিপাশা বলেন, আমার সাম্প্রতিক ছবিগুলোর শুটিং শেষ হলে আমি বেশ বড় একটি সময় নেব আমার বাড়ি তৈরি করার জন্য, ঠিক যেমন ভাবে আমি সেটিকে চাই।

এটি হবে আমার জন্মদিনে নিজের জন্য আমার উপহার। নতুন বাড়িতে তার মনের মতো কালার ও কোয়ালিটি পাওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় কাঠ, টাইলস, ফার্নিশিং এবং অন্যান্য জিনিস খুঁজতে তিনি পৃথিবীর যে কোনো স্থানে যেতে রাজি আছেন। উল্লেখ্য, বাড়ির কাজ শেষ হলে তার পাশেই বসবাস করা তার বাবা-মাকে তিনি তার বাসাতে নিয়ে আসবেন।

 

প্রীতির বর্তমান

বলিউডের প্রথম সারির ব্যস্ত ও জনপ্রিয় অভিনেত্রী হলেও প্রীতি জিনতা খুব বেশি সংখ্যক ছবিতে অভিনয় করেননি। কোয়ান্টিটির চেয়ে কোয়ালিটিকে গুরুত্ব দেওয়া এই অভিনেত্রীর ব্যস্ততা অনেক কমে গেছে। তারপরও থেমে যাননি তিনি। নানাভাবে নিজেকে ব্যস্ত রেখেছেন। প্রীতি জিনতার সাম্প্রতিক ব্যস্ততা এবং ক্যারিয়ারের নানা দিক নিয়ে এই প্রতিবেদন।

ফিল্মি ক্যারিয়ারের আগের রমরমা ভাবটা বজায় না থাকলেও ইদানীং প্রীতি জিনতা দারুণ খোশ মেজাজেই আছেন। নাহ্, ফিল্মের কোনো ব্যাপার নিয়ে নয়, গ্ল্যামার জগতের বাইরে খেলার মাঠেই বলিউডের এই জনপ্রিয় অভিনেত্রীর ব্যস্ত সময় কাটছে। তবে অভিনয় ছেড়ে খেলাধুলা শুরু করেননি প্রীতি। এবারের জমজমাট ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লীগ ক্রিকেটে শাহরুখ, মিঠুন চক্রবর্তীদের মতো তিনিও নিজস্ব দল গড়েছেন।

দল গড়তে পুঁজি বিনিয়োগ করেছেন। স্রেফ ক্রিকেটকে ভালোবেসে নয়, অনেকটা বাণিজ্যিক চিন্তাভাবনা থেকেই প্রীতির ক্রিকেট কানেকশন। বয়ফ্রেন্ড নেস ওয়াদিয়ার সঙ্গে প্রীতি যৌথভাবে কিনেছেন মোহালি ক্রিকেট টিম ‘কিংস ইলেভেন পাঞ্জাব’। নামী-দামী চৌকস ক্রিকেটার নিয়ে গড়া প্রীতির দল কিংস ইলেভেন একের পর এক জয়ের ধারা অব্যাহত রেখে চমক সৃষ্টি করেছে। গত দেড় মাসে প্রীতিকে ক্রিকেটের মাঠেই তৎপর দেখা গেছে বেশি।

হাতে ছবির কাজ না থাকায় ক্রিকেটের মাঠে উপস্থিত থেকে নিজের দলকে উৎসাহ, উদ্দীপনা জোগাতে কার্পন্য করেননি বলিউডের এই আত্মবিশ্বাসী জনপ্রিয় নায়িকা। ‘জীবনে আমি যখন প্রথমবার কিছু করি, মন প্রাণ ঢেলে করি এবং তাতে সফল হই, টি-টোয়ান্টিতে আমরাই জিতব’, আইপিএল শুরুর সময় আত্মবিশ্বাস চুইয়ে পড়েছিল প্রীতি জিনতার কথায়। তার আত্মবিশ্বাস শেষ পর্যন্ত ক্রিকেটের সাফল্য বার্তা বয়ে এনেছে। অন্যান্য বলিউড তারকাদের দলগুলোর তুলনায় প্রীতির কিংস ইলেভেন পাঞ্জাব অনেক ভাল ফলাফল করেছে।

এটা প্রীতির জন্য বড় একটি অ্যাচিভমেন্ট বটে। গত ২০০৭-এ প্রীতি জিনতার ফিল্মি ক্যারিয়ার ছিল নিস্প্রাণ, ম্লান। প্রীতি অভিনীত, মুক্তিপ্রাপ্ত ছবি ছিল মাত্র একটি। বলিউডের বিখ্যাত ব্যানার যশরাজ ফিল্মস এর বহুল আলোচিত সুপারফপ মুভি ‘ঝুম বারাবার ঝুম’ এর চরম ব্যর্থতা তাকে অনেকটা পিছিয়ে দিয়েছে।

এর আগের বছর বিখ্যাত ম্যাগাজিন ফিল্মফেয়ার এর পাওয়ার লিস্ট এ সেরা ১০ প্রভাবশালী জনপ্রিয় অভিনেত্রীর মধ্যে প্রীতির অবস্থান ছিল তৃতীয়। এ বছর সেখান থেকে নেমে এসেছেন ছয় নম্বরে। অভিনীত ছবির সাফল্য ব্যর্থতার উপরই শো-বিজ তারকাদের অবস্থানের ওঠানামা হয়।

এটাই স্বাভাবিক। এ নিয়ে প্রীতি তেমন চিন্তিত বা শংকিত নন। তাকে সবসময়েই বেশ গোছানো, শান্ত এবং ধীরস্থির মনে হয় এখন। হাতে আগের মতো ছবি নেই কেন- তা নিয়ে অন্য শীর্ষ
অভিনেত্রীদের মতো প্রীতিকে হাপিত্যেশ করতে দেখা যায় না।

অবশ্য আগেও কোনোভাবে কোনো সময়ে তাকে ইনসিকিউরিটিতে ভুগতে দেখা যায়নি। ডানে বামে ডজন ডজন ছবি সই করেননি কখনও। বেছে বেছে নিজের পছন্দ মতো ছবিতে অভিনয় করেছেন। আর এ কারণেই তার অভিনীত অধিকাংশ ছবিই দর্শকদের আলোড়িত করেছে।

সেই ‘সোলজার’, ‘চোরি চোরি চুপকে চুপকে’, ‘সংঘর্ষ’, ‘আরমান’, ‘দিল সে’, ‘দিল চাহতা হ্যায়’, ‘বীর-জারা’, ‘কৌই মিল গ্যায়া’র মতো দর্শকনন্দিত ছবিতে শুরু থেকে এখন পর্যন্ত প্রাণবন্ত, সপ্রতিভ অভিনয়ের ধারা অব্যাহত রেখেছেন প্রীতি।

বলিউডের জনপ্রিয় সব অভিনেতার সঙ্গে পর্দায় জুটি বেধে সাফল্যের প্রমাণ দিয়েছেন প্রীতি জিনতা। অভিনীত চরিত্র যথার্থভাবে ফুটিয়ে তোলার ক্ষেত্রে তার আন্তরিক প্রচেষ্টা চিত্রনির্মাতা এবং সহশিল্পী সবাইকে মুগ্ধ করে। আর এ কারণেই তার ব্যাপারে সবার আলাদা দুর্বলতা রয়েছে।
দিনে দিনে নিজেকে একজন পরিণত অভিনেত্রী হিসেবে গড়ে তুলতে সম হয়েছেন প্রীতি জিনতা।

আর একারণে বাণিজ্যিক ধারার বাইরে অফট্র্যাক চিত্রনির্মাতাদের কাছে এখন তার কদর অনেক বেশি। এ বছর প্রীতি অভিনীত ‘হার পল’ এবং ‘দি লাস্ট লিয়ার’ ছবি দু’টি মুক্তি পাবে। এর মধ্যে ‘দি লাস্ট লিয়ার’ ঋতুপর্ণ ঘোষের ছবি, যা ইংরেজিতে নির্মিত হয়েছে।

‘হার পল’ এবং ‘দি লাস্ট লিয়ার’ এ প্রীতিকে দর্শক নতুনভাবে আবিস্কার করবেন বলে জানা গেছে। এতোদিন দর্শক তাকে যেভাবে গ্ল্যামারাস ইমেজে দেখে এসেছেন তার বাইরে সম্পূর্ণ ভিন্ন ট্র্যাকের রোলে রূপদান করেছেন এই দুই ছবিতে।

যা প্রীতির জন্য ক্রিটিকস অ্যাওয়ার্ড বয়ে আনবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ছবিতে অভিনয়ের ব্যস্ততা কমলেও প্রীতি এখন তার ধনকুবের প্রেমিক নেস ওয়াদিয়াকে নিয়ে হলিডে মুডে নানা জায়গায় ঘুরে বেড়াচ্ছেন। নেসের সঙ্গে তার বিয়েটা কি আসন্ন?

তেমন প্রশ্ন করা হলে টোলপড়া গালে রহস্যময় হাসি ছড়িয়ে প্রীতি বলেন, ‘ওয়েট এন্ড সি’, আগামীতে কি ঘটে তা দেখার জন্য অপো করতে থাকুন।’ এ পর্যন্ত দু’বার ফিল্মফেয়ার অ্যাওয়ার্ডজয়ী এই অভিনেত্রী বিশ্বখ্যাত মহিলা চলচ্চিত্রকার দীপা মেহতার নতুন ছবিতে কাজ করবেন বলে জানা গেছে।